গত ১৪ মার্চ জাস্টিন ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হিসেব কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মার্ক কার্নি। শপথগ্রহণের মাত্র নয়দিনের মধ্যে তিনি সংসদ ভেঙে দেয়ার অনুরোধ করেন।
মার্ক এমন এক সময়ে নির্বাচনের আগাম ঘোষণা দিলেন যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেয়ার পরই কার্নিকে প্রশ্ন করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ চলার মধ্যে তিনি কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন। এটি ঝুঁকিপূর্ণ হবে কি না। জবাবে কার্নি জানান, দায়িত্ব নেয়ার প্রথম নয় দিনে তিনি ও তার দল যে কাজ করেছে এতে কানাডার অর্থনীতি সুরক্ষিত আছে। যা তারা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন।
আরও পড়ুন: বেশ কিছু বিষয় নিয়ে মজা করলেন চার্লস-কার্নি
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কানাডার জনগণের কাছে শক্তিশালী ও ইতিবাচক সমর্থন চাই, যাতে আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে পারি এবং এমন একটি নতুন কানাডিয়ান অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারি যা সবার জন্য কাজ করবে। কারণ আমি জানি, আমাদের পরিবর্তন দরকার-বড় পরিবর্তন, ইতিবাচক পরিবর্তন।’
আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে কানাডায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আগাম ভোটের মাধ্যমে কার্নি তার লিবারেল পার্টির সুবিধা নিশ্চিত করতে চাইছেন। ট্রুডোর জানুয়ারি মাসে পদত্যাগের ঘোষণা এবং ট্রাম্পের হুমকির পর থেকে লিবারেলদের প্রতি জনসমর্থন বেড়েছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ক্রয়চুক্তি পুনর্বিবেচনা করছে কানাডা