ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খাতাম আল-আনবিয়া হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইরানের অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধ না হলে একই ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়,
শত্রুপক্ষ যদি প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২০০ ডলারের বেশি সহ্য করতে পারে, তাহলে তারা এই খেলা চালিয়ে যাক।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, হামলার ২৮তম ধাপে এক টন ওজন পর্যন্ত ওয়ারহেড বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবশেষ হামলায় নতুন প্রজন্মের মাল্টি-ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কদর, ইমাদ এবং খাইবার শেকান মডেল।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ, কী নিয়ে আলোচনা
রাষ্ট্রীয় টিভির তথ্যমতে, রোববার (৮ মার্চ) নিক্ষেপ করা খাইবার শেকান ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা প্রায় ১,৪৫০ কিলোমিটার এবং এটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা পর্যন্ত গতিপথ পরিবর্তন করে চলতে সক্ষম।
আরও বলা হয়, আগের হামলার ধাপগুলোতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আঘাত হানার হার অর্জন করেছিল খাইবার শেকান ক্ষেপণাস্ত্র।
বলা হচ্ছে, শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সাম্প্রতিক দুর্বলতার কারণে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র এখন আরও সহজে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
]]>
২ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·