’৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে মন্ত্রিসভায় স্বপন

২ সপ্তাহ আগে
ছাত্রনেতা হিসেবে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু রাজনৈতিক পথচলা। তিন বছর পর যোগ দেন বিএনপিতে। পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে পালন করেন দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক। বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়কও ছিলেন। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব পান বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে।

বলছিলাম জহির উদ্দিন স্বপনের কথা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি।

 

গেল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিপুল পরিমাণ ভোটে জয়ী হন স্বপন। তিনি পেয়েছিলেন ১ লাখ ৫৫২ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কামরুল ইসলাম খান পেয়েছিলেন ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। প্রায় ৫৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয় স্বপন। এর মধ্য দিয়ে দেড় যুগ পর আসনটি পুনরুদ্ধার করলো বিএনপি।

 

বিএনপির এই ত্যাগী নেতার মন্ত্রীত্বের খবরে নির্বাচনী এলাকায় কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক উচ্ছ্বসিত। সন্ধ্যার পর বিতরণ করা হয় মিষ্টি ও বের হয় আনন্দ মিছিল।

 

আরও পড়ুন: ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে মন্ত্রী হলেন আরিফ

 

জানা গেছে, জহির উদ্দিন স্বপন ১৯৯৬ সালে প্রথমবার বরিশাল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচেনও তিনি দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এবার নিয়ে জাতীয় সংসদে তৃতীয়বার যাচ্ছেন তিনি।

 

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও জহির উদ্দিন স্বপনের সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। দুবার তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন। এ ছাড়া মানবাধিকার, আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও মানব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করা বিশ্বব্যাপী আইনপ্রণেতাদের  নির্দলীয় নেটওয়ার্ক ‘পার্লামেন্টারিয়ানস ফর গ্লোবাল অ্যাকশন (পিজিএ)’-এর এশিয়া অঞ্চলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন