বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দোহায় ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়।
বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা জানিয়েছে, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে এবারের প্রাইজমানি। আসরের জন্য মোট বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। ১২০.৭৯ ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৮৭৮ কোটি ২১ লাখ ১২ হাজার টাকার বেশি। এর মধ্যে প্রস্তুতি ব্যয় বাবদ প্রতিটি দেশ ফিফার কাছ থেকে পাবে ১৫ লাখ করে মার্কিন ডলার। বাকি অর্থগুলো ভাগ হবে চ্যাম্পিয়ন থেকে শুরু করে ৪৮তম অবস্থানে থাকা দলের মধ্যে।
আরও পড়ুন: তোপের মুখে টিকিটের দাম কমালো ফিফা, ৬০ ডলারে দেখা যাবে ফাইনাল
চ্যাম্পিয়ন দল পাবে সর্বোচ্চ ৫ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬১০ কোটি টাকার বেশি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার পাবে রানার্স আপ দল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ যা প্রায় ৪০৩ কোটি টাকা। এছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারণকারী দলও পাবে বড় অঙ্কের অর্থ। ১ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ পাবে রাউন্ড অব ৩২-এ জায়গা করে নেয়া দলগুলো। এছাড়া গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়া দলগুলো পাবে ৯০ লাখ করে মার্কিন ডলার। সুতরাং প্রস্তুতি ব্যয়সহ ধরলে শুধু অংশগ্রহণ করেই ১ কোটি ৫ লাখ করে মার্কিন ডলার পাবে দলগুলো। যার পরিমাণ দাঁড়ায় ১২৮ কোটি টাকার বেশি।
এক নজরে চ্যাম্পিয়ন থেকে ৪৮তম, কোন দল কত প্রাইজমানি পাবে
অবস্থান |
প্রাইজমানি |
| চ্যাম্পিয়ন | ৫ কোটি মার্কিন ডলার |
| রানার্স আপ | ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার |
| তৃতীয় স্থান | ২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার |
| চতুর্থ স্থান | ২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার |
| পঞ্চম থেকে অষ্টম | ১ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার |
| নয় থেকে ১৬তম | ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার |
| ১৭ থেকে ৩২তম | ১ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার |
| ৩৩ থেকে ৪৮তম | ৯০ লাখ মার্কিন ডলার |
আরও পড়ুন: ফিফার বর্ষসেরা উসমান দেম্বেলে
প্রাইজমানি ঘোষণার পর ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বৈশ্বিক ফুটবল সম্প্রদায়ের জন্য আর্থিক অবদানের দিক থেকেও হবে যুগান্তকারী।’
]]>

৪ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·