মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি, মোংলা-রামপাল সার্কেলের পুলিশ সুপার রিফাতুল ইসলাম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুর রহমানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে নৌযান মালিকের তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছেন নৌযান মালিকরা।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ডিজি শিপিংয়ের (নৌপরিবহন অধিদপ্তর) কর্মকর্তা কর্মচারীদের হয়রানীর প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদাণ করেন নৌযান মালিকেরা। সেই স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে ডিজি শিপিংয়ে কর্মকর্তারা নৌযান মালিকদের পূর্ব থেকে নোটিশ ছাড়া কোনো অভিযান পরিচালনা ও হয়রানি করবে না বলে আশ্বস্ত করে স্থানীয় প্রশাসন। এছাড়া সুন্দরবনে ভ্রমণে আসা দেশ-বিদেশি পর্যটকদের বিড়ম্বনার কথা চিন্তা করে নৌযান মালিকেরা তাদের চলমান ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনে নৌযান ধর্মঘট অব্যাহত, ফেরত গেলেন ১০ হাজার পর্যটক
মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়া গত রোববার সকালে ডিজি শিপিংয়ের কর্মকর্তারা মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় অন্তত ৩০টি জালিবোটের ওপরের অংশের (ছাদ) সোফা, চেয়ার ও সাউনি সহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভেঙে ও কেটে আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জরিমানা করেন।
এর প্রতিবাদে নৌযান মালিকরা সোমবার ভোর থেকে ধর্মঘটের ডাক দেয়। এবং এর প্রতিকার চেয়ে বোট মালিকপক্ষ মঙ্গলবার স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ব নোটিশ ছাড়া অভিযান ও কোনো ধরনের হয়রানি করবে না ডিজি শিপিং স্থানীয় প্রশাসনের এমন আশ্বাসে মঙ্গলবার রাত ১০ টায় নৌযান ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

৩ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·