‘২২ লাখ কোটি টাকা ঋণের দায়’, ‘রোজার বাজার নিয়ন্ত্রণই বড় পরীক্ষা’

১ সপ্তাহে আগে
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।

 

২২ লাখ কোটি টাকা ঋণের দায় নিয়ে নতুন অধ্যায় - দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত খবর এটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২২ লাখ কোটি টাকার সরকারি ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে যাত্রা শুরু হলো নতুন সরকারের। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের বোঝা তিন লাখ কোটি টাকা। গত দেড় বছরে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদের শপথ নেওয়ার পর বিশাল অঙ্কের ঋণের দায়ভার সরকারের ওপর চলে এসেছে। বিপুল অঙ্কের মধ্যে অভ্যন্তরীণ (ব্যাংক, সঞ্চয়পত্র ও কর্মচারীদের ফান্ড) ঋণ প্রায় ১২ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ৯ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা।


 

 


তবে ঋণের হিসাবটি খসড়া। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঋণ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য এ ঋণের অঙ্ক বের করা হয়েছে। প্রকৃত ঋণের অঙ্ক কমবেশি হতে পারে। নতুন সরকার কত ঋণ নিয়ে যাত্রা শুরু করছে তার প্রকৃত হিসাবের কাজ শুরু করেছে অর্থ বিভাগ। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, ইআরডিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে ঋণ তথ্য চেয়েছে অর্থ বিভাগ থেকে তাগিদ দেয়া হয়েছে।


রোজায় বাজার নিয়ন্ত্রণই বড় পরীক্ষা - দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ এটি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই নতুন সরকারকে নাগরিক জীবনের সবচেয়ে সংবেদনশীল ইস্যু নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরীক্ষার মুখে পড়তে হচ্ছে। বাজারে বিদ্যমান সিন্ডিকেট ভাঙা এবং দামের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই এখন তাদের জন্য তাৎক্ষণিক এক বড় চ্যালেঞ্জ।

 

 

 

দীর্ঘ দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর গতকাল মঙ্গলবার সরকার গঠন করেছে দলটি। আর এ সময় শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। সরকারি সূত্র বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়েছে। চিনি, ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল ও খেজুরের মতো রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের মজুদ ও সরবরাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।


কেমন হলো মন্ত্রিসভা - দৈনিক সমকালের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি।

 

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বিএনপি। প্রথমবার সরকার পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গঠন করেছেন নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা। প্রবীণ কয়েকজন থাকলেও মন্ত্রিসভায় রয়েছে তারুণ্যের আধিক্য।

 

 

 

দায়িত্ব নিয়েই এ মন্ত্রিসভাকে মোকাবিলা করতে হবে আইনশৃঙ্খলা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্বল অর্থনীতি সামলানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তাঁর নেতৃত্বে ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা হয়।


বারবার হোঁচটের পর নতুন লক্ষ্য সংযম - দৈনিক আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। 


প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশের উন্নয়ন বাজেটের সাম্প্রতিক ইতিহাস যেন বড় লক্ষ্যের ঘোষণা আর সীমিত বাস্তবায়নের এক পুনরাবৃত্ত গল্প। অর্থবছর শুরু হয় উচ্চাভিলাষী অঙ্ক দিয়ে। সংখ্যার ভেতরেই থাকে অগ্রগতির প্রতিশ্রুতি। কিন্তু সময় যত এগোয়, বাস্তবতা তত স্পষ্ট হয়। মাঝপথে আসে সংশোধন, কাটছাঁট হয় লক্ষ্য। আর বছর শেষে হিসাব মিলিয়ে দেখা যায়, বরাদ্দের উল্লেখযোগ্য অংশই থেকে গেছে অব্যবহৃত।


 

 


গত কয়েক বছরে বিগত সরকারগুলোর নেওয়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণেও একই ধারা দেখা গেছে-ঘোষণা পায় জোরালো, কিন্তু বাস্তবায়নের গতি থাকে একেবারেই দুর্বল। লক্ষ্য বড় ছিল, অর্জন তুলনায় ছোট। এই ব্যবধানই এখন উন্নয়ন বাজেট আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।


মজুত যথেষ্ট হলেও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির আঁচ ভোগ্যপণ্যের দামে - দৈনিক বণিক বার্তায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। 


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামীকাল দেশে রমজান মাস শুরু হতে পারে। রোজায় বিভিন্ন নিত্যপণ্যের চাহিদা বেশি থাকে। দামও থাকে বাড়তি। তাই রমজান মাস শুরু হওয়ার আগে থেকেই প্রশাসনের বাজার তদারকির মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল রাখার রীতি রয়েছে। কিন্তু এ বছর নির্বাচনের ডামাডোলে সে রকম উদ্যোগ ছিল ঢিলেঢালা। অন্যদিকে নির্বাচনকে ঘিরে টানা চারদিনের ছুটি (সাপ্তাহিক ছুটিসহ) এবং যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় পর্যাপ্ত আমদানি সত্ত্বেও নিত্যপণ্যের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।


খাদ্যশস্য ও মসলাজাতীয় পণ্যের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রোজার পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে পণ্যের পরিবহন খরচ। নির্বাচনের আগের কয়েকদিন ও পরবর্তী সময়ে ট্রাক ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। তারা বলছেন, দুই সপ্তাহ আগেও চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত বন্দরে ট্রাক ভাড়া ছিল ২০-২৫ হাজার টাকার মধ্যে। নির্বাচনের পর পণ্য পরিবহনের বাড়তি চাপে ট্রাক ভাড়া বেড়ে ৩৫-৪৫ হাজার টাকায় উঠে যায়। এর প্রভাবে প্রতি কেজি পণ্যের দাম কয়েক টাকা বেড়ে গেছে। পণ্যবাজারের পাশাপাশি পরিবহনের ক্ষেত্রে বিশেষ তদারক করা না গেলে এবারের রমজানে পর্যাপ্ত মজুদ সত্ত্বেও দামের অস্থিতিশীলতা কাটবে না বলে শঙ্কা ব্যবসায়ীদের।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন