রিয়াল মাদ্রিদের নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। স্প্যানিশ জায়ান্টদের অনেক শিরোপা জয়ে বড় অবদান রেখেছেন বেলজিয়াম তারকা। তবে, সেই কোর্তোয়াই অভিমানে প্রায় দুবছর খেলেননি বেলজিয়ামের হয়ে। অবশেষে ডাক পেয়েছেন জাতীয় দলে।
২০২৩ সালের জুনে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে সবশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন কোর্তোয়া। সে বছরই ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইয়ে এস্তোনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ঠিক আগে জাতীয় দল থেকে নাম সরিয়ে নেন লস ব্ল্যাঙ্কোস গোলরক্ষক। এরপরই এ নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা। তখন অনেকেই বলেছিলেন অধিনায়কত্ব না দেয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোর্তোয়া। তবে, দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে সবকিছুর ব্যাখ্যা দেন রিয়াল তারকা।
সংবাদ সম্মেলনে কোর্তোয়া বলেন, ‘আমার জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ অধিনায়কত্ব নয়। তখন কোচের সঙ্গে আমার সম্পর্ক খারাপ হয়ে গিয়েছিল, তাই মানসিকভাবে চাপে ছিলাম। এছাড়া হাঁটুতেও চোট ছিল কিছুটা। কিন্তু হ্যাঁ আমি জানি সেটা আমার ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। তবে, আমি এখনও মনে করি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ব্যাপারটা ভালোভাবে সামাল দিতে পারত।’
আরও পড়ুন: মেসিকে বক্সিংয়ের চ্যালেঞ্জ, জবাব দিলেন বডিগার্ড
কোর্তোয়ার ঝামেলাটা মূলত হয়েছিল সাবেক কোচ ডমিনেকো তেবেস্কোর সঙ্গে। ২০২৩ সালেই বেলজিয়ামের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইতালিয়ান কোচ। সে থাকাকালীন সতীর্থদের সঙ্গেও কোর্তোয়ার সম্পর্ক ছিল না খুব একটা ভালো। তার জায়গায় এখন দলের দায়িত্বে রুডি গার্সিয়া। স্বেচ্ছায় দলে ফিরেছেন কোর্তোয়া। সমাধান হয়েছে সতীর্থদের সঙ্গে সব সমস্যা।
রিয়ালের এ গোলরক্ষক বলেন, ‘পরিবর্তন এসেছে তাই আবারো জাতীয় দলে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সতীর্থদের সঙ্গে অনেক ভুল বোঝাবুঝি ছিল, অনেক বিষয়ে তারা পুরো সত্যটা জানতো না। দলে ফিরে আমি সব ব্যাখ্যা করেছি তাদের। এখন সব ঠিক হয়ে গেছে ‘
আরও পড়ুন: হামজা বাংলাদেশের মেসি: জামাল ভূঁইয়া
শুক্রবার নেশন্স লিগে মাঠে নামবে বেলজিয়াম। তাদের প্রতিপক্ষ ইউক্রেন। যে ম্যাচকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন কোর্তোয়া। লস ব্ল্যাঙ্কোস গোলরক্ষক পারফর্ম করে থিতু হতে চান জাতীয় দলে।
]]>