হোয়াইট হাউসের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, তৃতীয় দফা মার্কিন প্রেসিডেন্ট হতে প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধনের মতো পদক্ষেপও নিতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কীভাবে সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাবেন জানতে চাইলে ব্যানন বলেন, এ লক্ষ্যে কাজ চলছে। তবে পরবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্প লড়বেন এটা নিশ্চিত বলে জানান তিনি।
স্টিভ ব্যানন বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৮ সালে আবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং জিতবেন। আমি এরইমধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট পদে সমর্থন করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভাগ্য ভালো যে প্রতি শতাব্দীতে একবার এই ধরনের মানুষ আসে। আমরা তাকে এখন পেয়েছি।’
আরও পড়ুন: পরমাণু চুক্তির জন্য ইরানকে দুই মাস সময় দিলেন ট্রাম্প
ট্রাম্পের এই সহযোগী বলেন, ‘তিনি কিংবদন্তি, আমি তার বিশাল ভক্ত। ২০২৮ সালে তাকে আবার দেখতে চাই।’ এছাড়া, ২০২৮ সালের নির্বাচনে লড়তে বর্তমান প্রেসিডেন্টের হাতে দুটি বিকল্প আছে। তবে বিকল্পগুলো কী তা উল্লেখ করেনি স্টিভ ব্যানন।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে যেকোনো প্রেসিডেন্টের শাসনকাল দুই মেয়াদে সীমিত রাখার বিধান রয়েছে। ১৯৫১ সালে পাস হওয়া ২২তম সংশোধনীর মধ্য দিয়ে সংবিধানে এই বিধান যুক্ত করা হয়। ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের অভূতপূর্ব চার মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকার প্রতিক্রিয়ায় সংবিধানে এই বিধান যুক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন: কেনেডি হত্যা সম্পর্কিত হাজার হাজার পৃষ্ঠার গোপন নথি প্রকাশ
তবে তৃতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়া না হওয়া নিয়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও কথা বলেছেন। গত জানুয়ারিতে মিয়ামিতে কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের এক আয়োজনে ট্রাম্প বলেন, তিনি শতভাগ নিশ্চিত নন, সংবিধবান অনুযায়ী তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার ব্যাপারে তার কোনো বাধা আছে কি না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি পরবর্তী নির্বাচনের জন্য প্রচুর অর্থ সংগ্রহ করেছি। তবে আমার মনে হয়, আমি নিজের জন্য এই অর্থ ব্যবহার করতে পারব না। যদিও আমি শতভাগ নিশ্চিত নই। কারণ, আমি সত্যিই জানি না....আমার মনে হয়, আমাকে আবারও লড়তে দেয়া হবে না।’
]]>