কামারখন্দসহ পার্শ্ববর্তী উল্লাপাড়া ও বেলকুচি উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চৌবাড়ীতে প্রায় ৩ একর জমির ওপর ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়। ২০১৮ সালে কাজ শুরু হয়ে ২০২৩ সালে নির্মাণ শেষ হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটি সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করে। তবে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘদিন অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকায় হাসপাতালটিতে দফায় দফায় চুরি হয়েছে বৈদ্যুতিক তার, সুইচ, লাইট, প্রায় ১০০টি ফ্যান, সাবমারসিবল পাম্প, জেনারেটর ও বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম। এতে অন্তত ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের নাম পরিবর্তন
স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত হাসপাতালটি চালু করা না হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল মমিন বলেন, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি এখন মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিনিয়তই মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হচ্ছে।
কলেজ শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, এতদিনেও হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় আশপাশের হাজারো মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত এটি চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে।
এদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন বলেন, দ্রুত হাসপাতালটি চালুর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, হাসপাতালটি চালু হলে জেলার তিন উপজেলার অন্তত ৪০টি গ্রামের মানুষ সরাসরি চিকিৎসাসেবা পাবে।
]]>
৪ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·