বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে জেলে প্রশাসনের আয়োজনে জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পবিত্র রমজানে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ বিষয়ক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন,
বাংলাদেশের যেসব নদী খনন দরকার, সেগুলো খনন করা হবে। আর যেসব জলাশয় দখলে রয়েছে, সেগুলো দ্রুত দখলমুক্ত করা হবে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনসহ কিছু মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে খাল খননেও মেলেনি মুুক্তি, জলাবদ্ধতায় ১৫০০ হেক্টর জমি
‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সাল থেকে ’৮১ সাল পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মাইলের যে খাল খনন করেছিলেন, সেই খাল খনন কর্মসূচিকে আবারও আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সামনে আনা হবে। একইসঙ্গে আবহাওয়া ও পরিবেশের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও করা হবে’, যোগ করেন ফরহাদ হোসেন আজাদ।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আরও পড়ুন: অপরিকল্পিত খাল খননে সড়কে ধস, জনদুর্ভোগ
মতবিনিময় সভায় ফরহাদ হোসেন জেলার ও মানুষের উন্নয়ন এবং রমজানকে ঘিরে সেরা প্রথম জেলা হিসেবে পঞ্চগড়কে গড়ে তুলতে সকলের সহায়তা কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি জেলার বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়নের কথা শুনেন। পরে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের বিভিন্ন দিক নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
২






Bengali (BD) ·
English (US) ·