হামসহ ১০ রোগের টিকার সংকট- প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে টিকার সংকট চলছে। কেন্দ্রীয় গুদামে ১০টি রোগের টিকার মজুত শূন্যে নেমেছে। এদিকে চলতি মাসে হামে দেশে ৪১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি ও সরকারি হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, টিকা কেনার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেওয়ায় মজুত শূন্যে নেমে এসেছে। অন্যদিকে মাঠপর্যায়ে টিকার স্বল্পতা ও জনবলঘাটতির কারণে শিশু ও মায়েরা ঠিকমতো টিকা পাচ্ছে না। ফলে শিশুরা হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। শিশুদের মধ্যে অন্য রোগও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
সচিবালয়ে দরজায় দরজায় কড়া নাড়লেন প্রধানমন্ত্রী - মানবজমিনের প্রথম পাতার সংবাদ এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়, সকাল ৯টা ৫ মিনিট। প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়ি প্রবেশ করে সচিবালয়ে। গাড়ি থেকে নেমে স্বাভাবিক নিয়মে নিজের দপ্তরে যাওয়ার কথা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হেঁটে প্রবেশ করলেন ৬ নম্বর ভবনে। ভবনটিতে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দপ্তর।

প্রধানমন্ত্রী একে একে বিভিন্ন দপ্তর ঘুরলেন। অফিস শুরুর সময় হওয়ায় কোনো কোনো দপ্তর তখনো আড়মোড়া ভাঙেনি। প্রধানমন্ত্রী নিজেই দরজায় কড়া নাড়লেন। দপ্তরে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হতচকিত।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ ইস্যুতে সংসদে উত্তেজনা- কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার সংবাদ এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহবান নিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে আলোচনার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার। এই আলোচনার জন্য সংসদে নোটিশ দিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। এই নোটিশের ওপর কখন আলোচনা হবে, তা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে। বিতর্ক চলাকালে কিছু সময়ের জন্য অধিবেশনকক্ষে উত্তেজনা দেখা দেয়।

পরে নোটিশটি সংসদে উত্থাপন করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। নোটিশটি নিয়ে বিরোধী দলের কঠোর সমালোচনার পাশাপাশি একে কাঁচা হাতের কাঁচা কাজ বলে অভিহিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ- সমকালের প্রথম পাতার সংবাদ এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আন্দোলনের মূল স্লোগান 'নো কিংস', অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্টের চাপিয়ে দেওয়া 'রাজা'র শাসন জনগণ মানতে নারাজ। শনিবারের আন্দোলনে দেশের সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

বিবিসি জানায়, নো কিংস স্লোগানটি এসেছে গণতন্ত্রের ধারণা থেকে। এর অর্থ- কেউ রাজা নয়, সবাই আইনের অধীন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ট্রাম্প নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন।
মার্কিন সামরিক কৌশলের বিপরীতে ইরানের ‘আর্চ ডিফেন্স’- বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের আলোচনার মধ্যে রণকৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে হরমুজ প্রণালির অমোঘ বাস্তবতা—‘আর্চ ডিফেন্স’।

পারস্য উপসাগরের এ সংকীর্ণ চোক পয়েন্ট ঘিরে সাতটি কৌশলগত দ্বীপজুড়ে প্রাকৃতিকভাবেই এমন এক বহুস্তরীয় ডিফেন্সিভ নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, যা সামরিক পরিভাষায় পুরো প্রণালিকে একটি ‘ওভারল্যাপিং কিলিং জোন’-এ রূপান্তর করে। এ জটিল সমীকরণের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে, ওয়াশিংটন হয়তো একটি প্রথাগত অ্যাম্ফিবিয়াস ল্যান্ডিং বা স্থল অভিযানের দিকে এগোচ্ছে।
ইসরাইলের ১০০ শহরে সাইরেন/ সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি- যুগান্তরের প্রধান খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনার ছলে ‘গোপনে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা’ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তবে মার্কিন স্থল বাহিনীকে মোকাবিলা করার জন্য ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। তারা আগ্রাসন চালালে ‘হাঙরের খাদ্যে’ পরিণত হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

এদিকে রোববার হামলার ৩০তম দিনে ইরান ও হিজবুল্লাহ একযোগে ইসরাইলে হামলা চালিয়েছে। এ সময় ইসরাইলের ১০০টিরও বেশি শহরে সতর্ক সংকতে বেজে উঠে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত পাঁচটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ২৪ ঘণ্টায় দফায় দফায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে জ্বালানি উৎস খুঁজছে সরকার- দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান খবর এটি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও জ্বালানি সংস্থান-আমদানি নিয়ে সংকটে পড়েছে। সেই সংকট মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশগুলো থেকেও জ্বালানি তেল আমদানির চেষ্টা করছে বিএনপি সরকার। সরবরাহে ধাক্কা, বাজারে অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা—এই তিনের চাপের কারণে শিগগিরই তথা আগামী এপ্রিল-মে-জুন মাসে সরবরাহ নিশ্চয়তা চায় সরকার।

কিন্তু বিকল্প উৎসগুলো বাংলাদেশে রপ্তানির ব্যাপারে আগ্রহী হলেও শিগগিরই সরবরাহের নিশ্চয়তা তেমন দিচ্ছে না। এলএনজি ও এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·