হাদির মৃত্যু: রাতভর চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

৩ সপ্তাহ আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে (১৯ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া বিক্ষোভ কর্মসূচি চলে ভোর পর্যন্ত।

 

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সামনে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়ক বন্ধ করে দেন ও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

 

এ সময় ‘হাদি ভাইকে হত্যা কেন, বিচার চাই, বিচার চাই’, ‘ভাই হারানোর বেদনা, বিচার ছাড়া থামবে না’, ‘খুনি ধরো, খুনি ধরো, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করো’, ‘রক্ত ঝরেছে রাজপথে, বিচার চাই রাষ্ট্রপথে’, এমন স্লোগানে স্লোগানে ক্ষোভ জানান শিক্ষার্থীরা।

 

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা।

 

আরও পড়ুন: ভাঙচুর-আগুন সন্ত্রাস বাদ দিয়ে শত্রু চেনার আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

 

এদিকে, গতরাতে চাঁদপুর শহরে ইনকিলাব মঞ্চসহ বেশকিছু সংগঠনও বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

 

প্রসঙ্গত, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট সড়কে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে দুর্বৃত্তরা রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে। ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন তিনি। মোটরসাইকেলে করে এসে দুজন তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়। পরে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। 

 

আরও পড়ুন: ৭ দিনের সখ্যে হাদিকে হত্যার মিশন বাস্তবায়ন, যেভাবে দেশ ছাড়ে ফয়সাল



সবশেষ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়েছিল ওসমান হাদিকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্রের মৃত্যু হয়। 



হাদির মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দেশে পৌঁছাবে। আর শনিবার তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, হাদির মৃত্যুতে শনিবার এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন