হাদি হত্যার মূল আসামিকে দেশে ফেরাতে নেই কোনো উদ্যোগ

৩ সপ্তাহ আগে
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। 

 

বাঁচানো গেল না ওসমান হাদিকে - দৈনিক সমকালের প্রধান খবর এটি।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিঙ্গাপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে বাঁচানো গেল না। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হাদি সাত দিন জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

 

 

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লড়াকু যোদ্ধার মৃত্যুতে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল রাতে সিঙ্গাপুরে হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেছেন, ওসমান হাদির স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানের দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র। 

 

হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল ভারতে, দেশে ফেরাতে নেই কোনো উদ্যোগ - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।

 

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার সাত দিন অতিবাহিত হয়েছে। হামলাকারী শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ এবং মোটরসাইকেলচালক মো. আলমগীর শেখ ঘটনার রাতেই সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে। বিষয়টি এখন স্পষ্ট। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এমন তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

পালাতে সহায়তাকারী দুই চোরাকারবারিও সবকিছু খোলাসা করেছে আদালতে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফয়সাল ও আলমগীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফেরাতে পুলিশ সদর দফতরের এনসিবির (ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো) কাছে কোনো আবেদনও করেনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। 

 

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ইসি - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নসির উদ্দিন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করার পরের দিনই ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর ১৩ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর ও পিরোজপুরের দুটি নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি স্থানে অগ্নিসংযোগ ও হামলার ঘটনা ঘটছে বলে জানা যায়।

 

 

 

নির্বাচন কমিশন সূত্র বলছে, হাদির ঘটনা থেকে শুরু করে যেসব ঘটনা ঘটছে তাতে নির্বাচন কমিশনে নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন একাধিকবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সব নির্বাচন কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও তাঁদের কার্যালয়ের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের বিভিন্ন বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে।

 

ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকবে পাঁচদিন - দৈনিক মানবজমিনের সংবাদ এটি।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এবার ৫ দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অপতথ্য নিয়ন্ত্রণে ভোটের আগে ও পরে মোট সাতদিন মনিটরিং সেল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ করবে। এদিকে ১২ই ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ রেখে ইতিমধ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

 

 

 

ভোটের আগে ৯ই ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের পরদিন ১৩ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল নির্বাচনের ‘আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ পরিপত্রে’ এই পরিকল্পনা জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল ছাড়া সকল বাহিনী ভোটের সময় ৫ দিন (নির্বাচন আগে ৩ দিন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন এবং নির্বাচন পরবর্তী একদিন) মোতায়েন থাকবে। আনসারদের জন্য এ সময় হবে ৬ দিন (নির্বাচনের আগে ৪ দিন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন এবং নির্বাচন পরবর্তী এক দিন)। অর্থাৎ, ভোটের চারদিন আগে নামবে আনসার-ভিডিপি। আর ভোটের তিনদিন আগে ৯ই ফেব্রুয়ারি থেকে কেন্দ্রভিত্তিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত হবে। এই সময়ের মধ্যে মোতায়েনের জন্য কমিশন প্রচলিত নিয়মে বাজেট বরাদ্দ করবে বলে পরিপত্রে জানানো হয়।

 

কোরিয়া থেকে বিআরটিসির জন্য আসছে ৩৪০ এসি বাস - দৈনিক বণিক বার্তার খবর এটি।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৪০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। বাসগুলো কেনার জন্য এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা আশা করছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে প্রথম ধাপে অন্তত ৫০টি বাস বিআরটিসির বহরে যুক্ত হবে।

 

বিআরটিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্রয় প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা সিঙ্গেল ডেকার এসি বাসগুলোর মধ্যে ১৪০টি শুধু ঢাকায় চলাচল করবে। এছাড়া প্রায় ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত আনুষঙ্গিক ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম আমদানির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বাকি ২০০ সিঙ্গেল ডেকার এসি বাস আন্তঃনগর রুটে চলাচল করবে। এগুলোর জন্য ১৫ শতাংশ খুচরা যন্ত্রাংশ ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামও আমদানি করা হবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন