প্রকল্প সূত্র জানায়, উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে একটি মাত্র গোলচত্বর। এখানে ঘুরে প্রতিদিন চলাচল করতো উত্তর ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার হাজার হাজার যানবাহন। এতে প্রায় সময়ই ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটের ভোগান্তি পোহাতে হতো এই পথে চলাচলকারী চালক ও যাত্রীদের। মাঝেমধ্যে ঘটতো ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগস্থল দিয়ে বিপুল সংখ্যক যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন ও গতিশীল করতে সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২২ সালে শুরু হয় আন্তর্জাতিকমানের হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নির্মাণ কাজ। প্রকল্পটিতে বিভিন্ন জেলার যান চলাচলের জন্য আলাদা আলাদা লেনের সুবিধা রাখা হয়েছে। সেইসঙ্গে তিন চাকার যানবাহন চলাচলের জন্য পৃথক লেন রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণ কাজ
ইন্টারচেঞ্জ প্রকল্পটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ করতে রাত-দিন সমানতালে চলছে কর্মযজ্ঞ। ইতিমধ্যেই বাউন্ডারি ওয়াল, এস এম বিডি’র ব্রিজ নির্মাণ ও সার্ভিস এড়িয়াসহ যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে ৬টি সার্ভিস লেন। এতে যানজটের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি অনেকটা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান এই পথে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা।
এ বিষয়ে সাসেক-২ প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান জানান, ইতোমধ্যেই ইন্টারচেঞ্জের ৬টি সার্ভিস লেন খুলে দেয়া হচ্ছে। এতে আগের চেয়ে অনেকটা সুবিধা পাচ্ছেন যানবাহন চালকরা। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য পুরোদমে কাজ চলছে।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে
আর সাসেক-২ এর প্রকল্প পরিচালক ওয়ালিউর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৫৮ শতাংশ। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি।
প্রায় ৭৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নির্মাণ কাজ করছে চায়না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ব্রিজ করপোরেশন।
]]>

৩ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·