বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে দুপুরে এই নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
গত ২৯ জানুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্য পদে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের আবেদন আহ্বান করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকদের ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুন: এসএসসি পরীক্ষা: ফের ফিরল ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’
তবে আবেদনপত্র দাখিল করার ১৯ দিন পরে স্কুল ও কলেজ এবং ২৫ দিন পরে ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, টেকনোলজি ও ডিপ্লোমা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা সংক্রান্ত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার পরিবর্তন আনা হয়। পরিবর্তিত নীতিমালা অনুসারে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানের সকল পদে শিক্ষকদের ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। ২৫ মার্চ আগের বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল করে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।
এই সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দেশের বিভিন্ন এলাকার ১১৪ জন আবেদনকারী হাইকোর্টে রিট করেন।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·