নিষেধাজ্ঞার কারণে সিটির ডাগআউটে নেই পেপ গার্দিওলা। গুরু না থাকলেও নিজেদের মাঠে শিষ্যরা ঠিকই জ্বলে ওঠলেন লিভারপুলের বিপক্ষে। প্রথম গোলটি করলেন সফল স্পট কিক থেকে। এরপর আরও দুই গোল করে পূরণ করলেন নিজের হ্যাটট্রিক। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে এফএ কাপে লিভারপুলের বিপক্ষে সিটির কোনো খেলোয়াড়ের এটাই প্রথম হ্যাটট্রিক।
দলের ব্যর্থতার দিনে নিষ্প্রভ ছিলেন মোহামেদ সালাহও। একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। এমনকি পেনাল্টির সুযোগ পেয়েও তা মিস করেন।
আরও পড়ুন: বসনিয়া ম্যাচের আগে ইতালির প্লেয়াররা ৪ কোটি টাকা বোনাস চেয়েছিলেন
ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের মাঠে প্রথম বড় সুযোগটি আসে সালাহর পায়ে। চতুর্দশ মিনিটে বিপজ্জনক পজিশন থেকে নেওয়া তার বাঁকানো শটটি লক্ষ্যে রাখতে ব্যর্থ হন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরই পাল্টা আক্রমণে হায়ান শেহকির জোরালো শট দারুণভাবে রুখে দেন লিভারপুলের গোলরক্ষক, যা দলকে সাময়িক স্বস্তি দেয়।
২৭তম মিনিটে রদ্রির ভুলে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়ে যান একিতিকে। তবে তার শট বেরিয়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। ৩৯তম মিনিটে সফল স্পট কিক থেকে সিটিকে লিড এনে দেন আর্লিং হল্যান্ড।
বিরতির আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হলান্ড। বাইলাইন থেকে সেমেনিওর চমৎকার কাটব্যাক পেয়ে দারুণ হেডে কাছের পোস্ট ঘেঁষে বল জালে পাঠান হল্যান্ড। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে স্কোরলাইন ৩-০ করেন সেমেনিও। ৫০তম মিনিটে হায়ান শেহকির থ্রু বল ধরে এগিয়ে গিয়ে চিপ শটে সহজেই বল জালে জড়ান তিনি।
আরও পড়ুন: ডি ব্রুইনা ফুটবলকে আর আগের মতো ভালোবাসেন না
এর মিনিট দুয়েক পর দারুণ এক সুযোগ পান মোহামেদ সালাহ। তার শট কোনোমতে ফিরিয়ে দেন সিটি গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ড। ৫৭তম মিনিটে হলান্ড হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ও’রাইলির কাটব্যাক পেয়ে প্রথম স্পর্শে বল জালে জড়ান তিনি। এটি ছিল লিভারপুলের বিপক্ষে সিটির কোনো খেলোয়াড়ের দ্রুততম হ্যাটট্রিক।
৬৪তম মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুবর্ণ সুযোগ পান সালাহ। তবে তার পেনাল্টি বাম দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন সিটি গোলরক্ষক। এরপর লিভারপুল আর কোনো বড় সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ৭৫তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের শট আটকে দেন ট্র্যাফোর্ড। আর ৮১তম মিনিটে হাকপোর হেডও ব্যর্থ হয়।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·