বুধবার (১৫ এপ্রিল) ভোরে বাগেরহাটের মোংলায় বনের চাদঁপাই রেঞ্জের জিউধারা স্টেশনের বরইতলা টহল ফাঁড়িসংলগ্ন শুয়োরমারা খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অপহৃত ১০ জেলের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি মোংলার উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের কচুবুনিয়া এলাকায় এবং বাকিরা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা বলে জানায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের গোয়েন্দা বিভাগ।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারসহ অপহরণের শিকার ৫ জেলে
অপহৃত জেলে পরিবারের বরাত দিয়ে মোংলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম নাসিম উদ্দিন জানান, সুন্দরবনের শুয়োরমারা খালে মাছ ধরছিলেন ১৯/১৫ জন জেলে। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ ওই খালে বনদস্যু বাহিনীর প্রধান করিম শরিফ ট্রলার নিয়ে ওই খালে প্রবেশ করে। এরপর সেখান থেকে ১১ জেলেকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করা হয়।
এরমধ্যে কচুবুনিয়া এলাকার সবুর নামে এক জেলে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেয়ার কথা বলে ফিরে এসেছেন। তার বাবার নাম আব্দুল হামিদ। এ ছাড়াও একই এলাকার মানিক শেখ, আবু বকর গাজী, জাকির ফরাজী, নুরজামাল শিকদার, ওয়াহিদ মুন্সিকেও মুক্তিপণের দাবিতে জিম্মি রেখেছেন বলে জানান ফিরে আসা জেলে সবুর।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনে আবারও জলদস্যুর উৎপাত, কী বলছে বন বিভাগ?
তিনি আরও জানান, একই সময় মোরেলগঞ্জ এলাকার আরও পাঁচজনকে মোটা অংকের মুক্তিপণের দাবিতে জিম্মি করা হয়েছে। তবে মোংলা কচুবুনিয়ার এলাকার দস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়া জেলেদের কাছে কী পরিমাণ মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।
অপরদিকে, কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন সদর দফতরের অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার শামসুল আরেফিন জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং সুন্দরবনের কোন এলাকায় নিয়ে জেলেদের জিম্মি করে রাখা হয়েছে তার নজরদারি শুরু করা হয়েছে।

১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·