সুন্দরবনে দস্যু দমনে কঠোর অবস্থান, বিশেষ অভিযানের ঘোষণা

১ সপ্তাহে আগে
বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন এলাকায় বনদস্যুদের তৎপরতা দমনে আরও কঠোর হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নতুন সরকারের বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

সম্প্রতি একের পর এক জেলে অপহরণের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ায় বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি। 


রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) খুলনা অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বন বিভাগের সক্ষমতা এবং দস্যু দমনে সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

 

গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে দস্যু বাহিনী। মুক্তিপণ দাবিতে জেলে অপহরণ, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা আদায়, মাছ ছিনতাই ও মারধরের ঘটনা বাড়ছে বিভিন্ন এলাকায়। বিশেষ করে দুবলার চর এলাকায় দস্যুদের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বেশি।


সবশেষ এক সপ্তাহের ব্যবধানে সুন্দরবনের গভীর এলাকা থেকে ২৮ জেলেকে অপহরণ করে দস্যুরা। মুক্তিপণ দিয়ে কেউ কেউ ছাড়া পেলেও এখনও অনেকে আটকা রয়েছে বলে জানা গেছে।


সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সুন্দরবনে দস্যু তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়টি নজরে এসেছে। মন্ত্রীর নির্দেশে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসন, র‍্যাব, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে দস্যু দমনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন: খুলনা / কাঁচা পাটের অস্বাভাবিক দামে পাটকলে উৎপাদন বন্ধ

তিনি বলেন, উপকূলের সাধারণ মানুষ জীবন-জীবিকার জন্য সাগরে যেতে পারছে না। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। চলমান অভিযান জোরদার করা হবে, পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।


প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি বাংলাদেশ এর ফুসফুস। আমরা যে কোনো মূল্যে এই বন রক্ষা করবো এবং যারা জীবিকার জন্য বঙ্গোপসাগরে যায় তাদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করবো।
দস্যু বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে নয়, তাদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে বন বিভাগের লজিস্টিক সাপোর্ট ও জনবল বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। দ্রুত ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন