সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও মিরপুরের গ্যালারি ফাঁকা, নেপথ্যে কী?

৪ সপ্তাহ আগে
বিশ্বকাপে না খেলায় অনেকদিন ধরেই বাংলাদেশের কোনো খেলা নেই। ঘরের মাঠে সর্বশেষ সিরিজও হয়েছে সেই ডিসেম্বরে। এসব কারণে ধারণা করা হয়েছিল, পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বিপুল দর্শক সমাগম দেখা যাবে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। তবে বিপুল আগ্রহ তো দূরের কথা, ৩ ম্যাচেই দর্শকদের অনাগ্রহের বিষয়টি ছিল চোখে পড়ার মতো। চিরচেনা মিরপুরকে এই পুরো সিরিজেই দেখা গেল ভিন্ন রূপে।

সিরিজের সবগুলো ম্যাচেই গ্যালারির অধিকাংশ আসন ছিল ফাঁকা। বিশেষ করে, আজ সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে গ্যালারির এক তৃতীয়াংশও পূর্ণ হয়নি। বাংলাদেশের ম্যাচে এমন চিত্র সর্বশেষ কবে দেখা গিয়েছে, সেটা মনে করাও দুষ্কর। 

 

আরও পড়ুন: নির্বাচকদের পূর্ণ স্বাধীনতার আশ্বাস দিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান

 

অথচ মাঠের খেলা নিয়ে তেমন অভিযোগের সুযোগ নেই। ৩ ম্যাচেই ছিল স্পোর্টিং উইকেট এবং দুদলের প্রতিযোগিতাও ছিল চোখে পড়ার মতো।  

 

কারণ অনুসন্ধান করলে কয়েকটি বিষয়ই সামনে আসে। প্রথমত, বাংলাদেশ-পাকিস্তানের এই সিরিজটি রমজান মাসে হওয়ায় দর্শকদের মধ্যে হয়ত আগ্রহ একটু কমেছে। এছাড়া, সিরিজের সবগুলো ম্যাচই ওয়ানডে ফরম্যাটে। বর্তমানে টি-টোয়েন্টির আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার মধ্যে ওয়ানডে ফরম্যাট নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ একটু কম হতে পারে। 

 

আরও পড়ুন: অবসরের ঘোষণা দিলেন পাকিস্তানকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতানো সরফরাজ

 

এছাড়া মিরপুরের তীব্র যানজট এবং স্টেডিয়ামে মাঠের পারফরম্যান্স থেকে শুরু করে নানা কারণেই দর্শকরা এবার বিমুখ। সাম্প্রতিক সময়ে টি-২০ ও ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের ক্রমাগত হার দর্শকদের মাঝে হতাশা তৈরি করেছে। প্রবেশের ক্ষেত্রে দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তিও অন্যতম কারণ হতে পারে। লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপের জনপ্রিয়তাও হতে পারে আরেকটি কারণ। ঘরে বসে স্মার্টফোনে খেলা দেখার সুযোগ থাকায় হয়ত অনেকেই মাঠে গিয়ে সময় নষ্ট করতে চাচ্ছেন না।  

 

প্রথম দুই ওয়ানডের মতো সিরিজে শেষ ম্যাচেও গ্যালারির এমন পরিস্থিতি সাময়িক নাকি দীর্ঘস্থায়ী, তা এখনই বলা মুশকিল। অবস্থার উন্নতি না হলে বিসিবিকে দর্শক টানার জন্য নিতে হতে পারে ভিন্ন পন্থা।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন