ক্রাইস্টচার্চে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক জিমি নিশাম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনার টনি জর্জি ১৪ বলে ১২ রান করে আউট হন। এরপর উইয়ান মুল্ডার ও রুবিন হার্মান মিলে ৫৫ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন।
মধ্য ও শেষের ঝড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দারুণ ব্যাটিংয়ে ইনিংসের নায়ক হন কনর এস্টারহুইজেন। মাত্র ৩৩ বলে ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ৫টি চার ও ৬টি ছক্কা। এটি তার ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস এবং টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় ফিফটি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রানের বড় সংগ্রহ পায় সফরকারীরা। নিউজিল্যান্ডের হয়ে বেন সিয়ার্স দুটি উইকেট নেন।
১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। পাওয়ার প্লেতেই ২ উইকেট হারিয়ে ৪৬ রান তোলে তারা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে কিউইরা। ওপেনার টিম রবিনসন ২৫, নিক কেলি ১৪ ও ড্যান ক্লেভার ২২ রান করেন।
আরও পড়ুন: থিকশানাকে দলে নিয়ে যে বার্তা দিল হায়দরাবাদ
মাঝে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন বেভন জ্যাকব, ৩৬ রান করে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন তিনি। অধিনায়ক নিশাম করেন ২৪ বলে ২৪ রান। তবে কেউই বড় ইনিংস খেলতে না পারায় নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৪ রানেই থামে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণে দারুণ সমন্বয় দেখা যায়। জেরাল্ড কোয়েটজি, মুল্ডার ও ওটনিল বার্টম্যান দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট শিকার করেন অধিনায়ক মহারাজ।
সব মিলিয়ে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে সিরিজটিও ৩-২ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় তারা।

৪ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·