বুধবার (২৫ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সিঙ্গাপুরের সিডিএ জানান, দেশটির চাঙ্গি বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালসহ বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি কর্মীদের সুনামের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভূমি উন্নয়ন প্রকল্পেও জনবল প্রয়োজন হবে। জবাবে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ দক্ষ ও অর্ধদক্ষ কর্মী পাঠানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য বাধা দূর করতে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (বিএসএফটিএ) দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে উভয় পক্ষ গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বৈঠকে সিঙ্গাপুর পক্ষ বে টার্মিনাল প্রকল্পে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেয় এবং আইসিটি, ডিজিটাল অবকাঠামো ও ডিজিটাল গভর্ন্যান্সের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তার আগ্রহ দেখায়।
এ ছাড়া জ্বালানি খাতে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়, যেখানে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের সুবিধা গ্রহণের জন্য সিঙ্গাপুরকে আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য রফতানির ওপর জোর দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে পাট, সিরামিক ও চামড়াজাত পণ্য সিঙ্গাপুরে রফতানির আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে, সিঙ্গাপুর তাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ থেকে সুপারমার্কেট চেইনের মাধ্যমে আম, সামুদ্রিক মাছ ও কৃষিপণ্য আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
উভয় দেশই ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল বিনিময়ের মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির বিষয়ে একমত হয়েছে। এ ছাড়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনায় এ বছরই ঢাকায় পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের সম্ভাবনাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় শামা ওবায়েদ ইসলামকে অভিনন্দন জানান মিচেল লি। প্রতিমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব বজায় রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

৪ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·