সোমবার (১২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন-বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
রাষ্ট্রপক্ষ-আসামিপক্ষের শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। ৬ জানুয়ারি সালমান ও আনিসুলের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। শুনানিতে নিজের ক্লায়েন্টদের নির্দোষ বলে দাবি করেন তিনি। চার্জ গঠন না করার জন্য নানা যুক্তিও তুলে ধরেন আসামিপক্ষ।
আরও পড়ুন: মানবতাবিরোধী অপরাধ /বিদেশি আইনজীবী চাইলেন সালমান-আনিসুল
এছাড়া প্রসিকিউশনের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে শোনানো ফোনালাপটি সালমান-আনিসুলের নয় বলে অস্বীকার করেন মুনসুরুল হক। বিদেশি বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে ভয়েস রেকর্ডটি পরীক্ষা করার আবেদনও করা হয়। ৪ জানুয়ারি করা আবেদনটি নাকচ করে দেন আদাল।
সালমান ও আনিসুলের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। এর মধ্যে রয়েছে কারফিউ জারির মাধ্যমে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি-প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্র। তাদের ধারাবাহিক এসব কর্মকাণ্ডে মিরপুর-১, ২, ১০ ও ১৩ নম্বর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ আওয়ামী লীগের সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু ছাত্র-জনতা। কিন্তু নির্যাতন বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি তারা।
এছাড়া চব্বিশের জুলাই আন্দোলন দমনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতেন সালমান ও আনিসুল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ জুলাই (২০২৪ সাল) ফোনে কথা বলেন তারা। তাদের কথোপকথনের একপর্যায়ে শোনা যায় ‘ওদের শেষ করে’ দেওয়া হবে। অর্থাৎ আজ রাতেই কারফিউ জারির মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের শেষ করে দিতে হবে বলে জানান সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। গত ২২ ডিসেম্বর শুনানির সময় তাদের কথোপকোথনের সেই অডিও রেকর্ডসহ এসব অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের সামনে আনেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। একইসঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আর্জি জানানো হয়। গত ৪ ডিসেম্বর অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

৩ দিন আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·