সাবেক স্ত্রীকে আইনি নোটিশ পাঠালেন ইমাদ

১ সপ্তাহে আগে
পাকিস্তানের অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করার পর তার সাবেক স্ত্রী সানিয়া আশফাক এই অলরাউন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। ইমাদের বিরুদ্ধে তিনি 'জোরপূর্বক গর্ভপাত' করানো এবং পরকীয়ায় জড়ানোর অভিযোগ আনেন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইমাদ তার সাবেক স্ত্রীকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।

দ্বিতীয় বিয়ের ঘোষণা দিয়ে ইমাদ বলেছিলেন, এটি সিদ্ধান্ত তিনি 'ভেবে-চিন্তে এবং শান্তি, স্থিতি ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে জীবন গড়ার সুস্পষ্ট উদ্দেশ্যে নিয়েছেন।'


গত সপ্তাহে ইমাদের দ্বিতীয় বিয়ের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট হওয়ার পর সানিয়া সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, 'এখন সবাই প্রমাণ দেখেছে—এই সংসার ভাঙা মানুষটি কখনও আমার সন্তানদের কথা ভাবেনি।'


এই অভিযোগের জবাবে ইমাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলিয়া জারিন আব্বাসি এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি ভিডিও বিবৃতি দিয়ে অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন। পরে ইমাদ সেই ভিডিওটি রিটুইট করেন।


আরও পড়ুন: রোজা শক্তি কেড়ে নেয় না, শক্তি দেয়: সিকান্দার রাজা


আব্বাসি বলেন, 'চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করা হয়েছে, যা প্রমাণ করে জোরপূর্বক গর্ভপাতের দাবি সঠিক নয়।' তিনি জানান, সানিয়ার কাছে আনুষ্ঠানিক আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।


অভিযোগে উল্লেখিত সময়সীমা প্রসঙ্গে আইনজীবী বলেন, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত পারস্পরিক সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছিল।

 


তিনি বলেন, '২০২৩ এর নভেম্বর আপনি নিজেই যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এই সিদ্ধান্তের জন্য আমাদের মক্কেলকে দোষারোপ করতে পারেন না।' প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


আব্বাসি আরও জানান, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড সফরের পূর্ণ নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে উপস্থাপন করা হবে।


'পরকীয়া'র অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে দাম্পত্য কলহের কারণে দুজন আলাদা হয়ে যান। তখন সানিয়া গর্ভবতী ছিলেন এবং সন্তানের জন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করার বিষয়ে উভয়ের সম্মতি ছিল।


তিনি দাবি করেন, ওই সময় ইমাদ সব খরচ বহন করেছেন।


 

کرکٹر عماد وسیم کی وکیل ان کی سابقہ اہلیہ کے لگائے گئے الزامات پر قانونی چارہ جوئی کا آغاز اور جواب۔ pic.twitter.com/YZtqUPrSOp

— Riaz ul Haq (@Riazhaq) February 22, 2026


২০২৫ সালের জুলাই মাসে তাদের পুত্রসন্তানের জন্ম হয় এবং ইমাদ এখনও তিন সন্তানের সব আর্থিক দায়িত্ব পালন করছেন বলে আব্বাসি জানান।

 

আরও পড়ুন: ভারত-জিম্বাবুয়ে ফাইনাল দেখার ইচ্ছা দ্রাবিড়ের


আব্বাসি বলেন, বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন (সাব জুডিস), তাই এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।


তিনি সতর্ক করে বলেন, মানহানিকর কোনো বক্তব্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য হবে। কারও কাছে প্রমাণ থাকলে তা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।


এর আগে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইমাদ জানান যে তিনি বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেছেন। তিনি লিখেছিলেন, 'অনেক ভেবে-চিন্তে এবং গত কয়েক বছরের অমীমাংসিত দ্বন্দ্বের কারণে আমি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছি।' তিনি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অনুরোধ জানান এবং পুরনো দম্পতির ছবি শেয়ার না করার আহ্বান জানান।
 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন