বুধবার (১৯ মার্চ) দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের সই করা এক অফিস আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম মামুনুর রশীদকে নিয়ে গত ১৮ মার্চ সময় সংবাদে ‘ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি অফিস করছেন দুদকে!’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলেও তিনি নিয়মিত অফিস করছেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুক্তভোগীকে হেনস্তা করেছেন।
আরও পড়ুন: ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি অফিস করছেন দুদকে!
মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে তার সাবেক স্ত্রী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত, ২০০৩) এর ১১(খ)/৩০ ধারায় (যৌতুকের জন্য মারধর করে গুরুতর জখম ও সহায়তার অপরাধ), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, সিরাজগঞ্জে নারী ও শিশু পিটিশন মামলা করেন। এ মামলায় গত বছরের ২২ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদনে সিরাজগঞ্জ আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাসেল মাহমুদ উল্লেখ করেন, ‘উপস্থাপিত কাগজপত্র ও পারিপার্শ্বিকতা পর্যালোচনায় আসামি মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা আছে মর্মে প্রতীয়মান হয়’।
যেহেতু, তার এহেন কার্যকলাপে দুদকের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং তার এহেন কর্মকাণ্ড দুদক (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালা, ২০০৮ এর ২(ঝ)(৫) অনুযায়ী অসদাচরণ এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধের শামিল। তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। তিনি সাময়িক বরখাস্তকালীন বিধি অনুযায়ী খোরাকী ভাতা পাবেন।
]]>