সকালের নাশতায় পুডিং খাওয়ার উপকারিতা

২ দিন আগে
দুধ ও ডিম দিয়ে তৈরি পুডিং, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও ভিটামিনের ভালো উৎস। তাই সকালের নাশতায় এটি খাওয়ার রয়েছে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা।

তবে পুডিং থেকে স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে হলে স্বাস্থ্যকর উপায়ে তা তৈরি করতে হবে। চিনি কম বা প্রাকৃতিক কোনো ফল দিয়ে পুডিংয়ে মিষ্টি স্বাদ আনতে পারেন।

 

ফ্যাট ফ্রি দুধ অথবা উদ্ভিদভিত্তিক দুধও পুডিং তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন। পুষ্টিগুণ বাড়াতে পুডিংয়ে যোগ করতে পারেন বাদাম, চিয়া সিড, সাগু ইত্যাদি উপকারী খাবার।

 

উপকারিতা

 

চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন পুডিং খাওয়ার একাধিক উপকারিতার কথা বলেছেন। আসুন এক নজরে সেগুলো জেনে নিই-

 

১। হাড় ও পেশী গঠন, মেরামতে সাহায্য করে। এটি শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ।

 

২। এটি সহজে হজম হয় ও শক্তি জোগায়।

 

৩। পুডিংয়ে উপকারী খাবার মেশালে এটি একাধিক পুষ্টির উৎস হতে পারে। যা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ডি, বি২ এবং অন্যান্য ভিটামিনের উৎস হিসেবে কাজ করবে।

 

৪। একাধিক ফল মিশিয়ে পুডিং তৈরি করলে তা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

 

৫। এটি নরম ও মসৃণ হওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের সহজে হজম হয়।

 

আরও পড়ুন: শীতকালে সুস্থ থাকতে খেতে পারেন এই ৪ ফল

 

৬। পুডিংয়ে কার্বোহাইড্রেট থাকায় এটি শরীরকে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়, যা একটি স্বাস্থ্যকর ডেজার্ট হিসেবে কাজ করে।

 

৭। প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (বাদাম যোগ করলে) শিশুদের মেধা ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

আরও পড়ুন: নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞরা

 

পরামর্শ

 

পুডিংয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে হলে অবশ্যই তা বাড়িতে তৈরি করুন। বাইরের বা দোকানের তৈরি পুডিং কৃত্রিম রং ও অস্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি হয়। তাই সে খাবার এড়িয়ে চলুন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন