শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আর চোখের জলে চিরবিদায় নিলেন শান্তিরক্ষী জাহাঙ্গীর আলম

৩ সপ্তাহ আগে
সুদানের আবেই শহরে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী জাহাঙ্গীর আলমকে শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আর চোখের জলে চিরবিদায় জানালেন স্বজন ও এলাকাবাসী। গ্রামের বাড়িতে নামাজের জানাজা শেষে পাকুন্দিয়া উপজেলার তারাকান্দি গ্রামে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় এই বীর সেনানীকে।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) আসরের নামাজের পর বাড়ির সামনে ফসলের মাঠে অনুষ্ঠিত হয় জানাজার নামাজ। পরে তাকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে আজ রবিবার সকালে ঢাকার সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ জাহাঙ্গীর আলমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ।


রোববার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে মেস ওয়েটার জাহাঙ্গীর আলমকে বহনকারী সামরিক বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে।
সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি একই উপজেলার জাঙ্গালিয়ায়ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামে।

 

জাহাঙ্গীর আলম কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের আকন্দ বাড়ির হযরত আলীর ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেসওয়েটার পদে কর্মরত ছিলেন।প্রায় ১১ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।


আরও পড়ুন: শান্তিরক্ষী মিশনে নিহত মাসুদ রানাকে দাফন করা হলো নাটোরে


গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সংঘটিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়জন শান্তিরক্ষী শাহাদাৎ বরণ করেন।


তিন ভাইয়ের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম ছিলেন মেঝো। তার বড় ভাই মো. মোস্তফা প্রবাসী এবং ছোট ভাই মো. শাহিন মিয়া কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। স্ত্রী ও তিন বছর বয়সী একমাত্র সন্তানকে রেখে গত ৭ নভেম্বর শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের জন্য সুদানে যান তিনি।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন