কনকনে শীত আসলেই অনেকে গোসলের ইতি টানেন। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে গোসল না করার অভ্যাসে শরীরে জমতে শুরু করে ধুলোবালি ও ময়লা। আর সে সুযোগেই আক্রমণের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে ঠান্ডা, জ্বর, পেটের গোলযোগের মতো নানা রোগ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত শীতল আবহাওয়ায় প্রতিদিন গোসলের কোনো প্রয়োজন নেই। শারীরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে দুই থেকে তিন দিন পর পর গোসল করা শরীরের জন্য ক্ষতি নয় বরং ভালো। কিন্তু তিন দিন পেরোনোর পর কিংবা যারা নিয়মিত গোসল করেন সবার ক্ষেত্রেই শীতে গোসলের আদর্শ সময় জানাটা জরুরী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বোল্ড স্কাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে হাড় কাঁপানো শীতে খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতে ঘুম থেকে উঠতে কোনভাবেই তড়িঘড়ি করা যাবে না। ধীরে ধীরে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসে থাকতে হবে ন্যূনতম ৫ মিনিট। এরপর স্বাভাবিক সব কাজের জন্য নিজেকে তৈরি করতে হবে।
শীতের আদর্শ সময় প্রসঙ্গে চিকিৎসকরা বলছেন,
শীতে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে গোসল করাটা ভালো। এ সময়টাতে ভোর এবং বিকেলের ঠান্ডা আবহাওয়া থাকে না। তাই শীতের ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় এ সময়টাকেই গোসলের জন্য বেছে নেয়া নিরাপদ।
শীতে আদর্শ সময়ে গোসল করার পাশাপাশি কিছু নিয়মও মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এগুলো হলো-
১। শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় পানি স্বাভাবিক তাপমাত্রা হারিয়ে বেশ শীতল থাকে। তাই গোসলের সময় এ পানি গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে তারপর গোসল করুন।
২। গোসল করার সময় সাবান ব্যবহারের পরিবর্তে ব্যবহার করুন শাওয়ার জেল।
৩। ত্বক যেন শুষ্ক না হয় তার জন্য গোসল করেই অলিভ ওয়েল কিংবা বডি লোশন ত্বকে মালিশ করুন।
আরও পড়ুন: ওষুধ ছাড়াই মাইগ্রেনের ব্যথা কমায় যেসব খাবার
৪। সর্দি, কাশি, গলা ও বাতের ব্যথায় সব সময় গোসলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন।
আরও পড়ুন: সকালে ভুলভাবে হাঁটার অভ্যাসে নিজের ক্ষতি করছেন না তো?
৫। শীতের ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় তিন দিন পরপরও গোসল করতে না পারলে ভেজা তোয়ালে দিয়ে পুরো শরীর ভালো করে মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করুন।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·