মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংগঠনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেল সম্পাদক আকিফ আব্দুল্লাহ’র ফেসবুক পেজে দেয়া ছবিসহ এক পোস্ট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ওই পোস্টে আকিফ লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, শহীদ হৃদয় যাকে পুলিশ হত্যা করে লাশটা তুরাগ নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছিল, একমাত্র ছেলের লাশটা তার পরিবার পায়নি। তার মা-বাবা কোনো সরকারি অনুদান পাননি, পাননি শহীদের স্বীকৃতিও। অনেক কষ্ট আর অভাবের মধ্যে দিয়ে দিন পার করছিলেন বৃদ্ধ মা-বাবা। আল্লাহর রহমতে, উনাদের জন্য আমরা একটা অটো কিনতে পেরেছি। সম্পূর্ণ নতুন এই অটোটি এক চার্জে প্রায় ১৪০–১৫০ কিলোমিটার চলতে পারবে। এর মাধ্যমে প্রতিদিনই হাজার অথবা তারও অধিক পরিমাণ আয় করা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ। এতে কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে এবং সংসারের পথ চলা একটু হলেও সহজ হবে।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার কোনাবাড়ি এলাকায় পুলিশ গুলি করে হৃদয়কে হত্যা করে। এরপর লাশ টেনে নিয়ে গিয়ে পুলিশ তুরাগ নদীতে ফেলে দেয়।
আরও পড়ুন: রাজাকার বোঝাতে দাড়ি-টুপি, যে বার্তা দিলেন সাধারণ আলেম সমাজ
এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তুরাগ নদীতে হৃদয়ের মরদহ পাওয়ার আশায় অভিযান চালায়। কিছুই পাওয়া যায়নি।
কিন্তু শহীদ হৃদয় এখনও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়নি। গেজেট না হওয়ায় পরিবারটা কোনো আর্থিক অনুদানও পায়নি।
এক বছর পর, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২৫ সালের ২৪ জুলাই তুরাগ নদীতে হৃদয়ের লাশ পাওয়ার আশায় অভিযান চালায়। কিছুই পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, হৃদয়রা তিন ভােই-বোনে। ছেলের পড়ালেখা আর দুইা মেয়ের বিয়ে, এ সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ঋণ এখন তাদের ঘাড়ে। পাওনাদাররা আর দুই মাস সময় দিয়েছে। না দিতে পারলে এই ঘর, এই ভিটা সব ছেড়ে দিতে হবে। ছেলে হারিয়ে এখন ভিটা হারানোর পথে জুলাইয়ের এই শহীদ পরিবার।

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·