শনিবার (২ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌরসভার দরিরামপুর এলাকায় একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার সিঁড়ির নিচের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাসাটির ভাড়াটিয়া মো. উমর ফারুক (৫১) জ্বালানি তেল মজুত করে রেখেছিলেন। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেখানে রাখা একটি পাত্রে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও স্থানীয়দের চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
আবাসিক এলাকায় জ্বালানি মজুত করে বাসার অন্য বাসিন্দাদের ঝুঁকিতে ফেলায় ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী উমর ফারুককে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে রাত ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসন পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় মজুত করা পেট্রোল থেকেই অগ্নিকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে আশার আলো: বিস্ফোরণের ক্ষত পেরিয়ে কূপ খননের পরিকল্পনা
তল্লাশিতে বাড়ির সিঁড়ির ঘরে কন্টেইনারে রাখা আরও ৭০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত উমর ফারুক দোষ স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত লাইসেন্স ছাড়া জ্বালানি তেল মজুতের দায়ে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী তাকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
প্রশাসন আরও জানায়, উমর ফারুক পাশের ইভা ফিলিং স্টেশনে কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। সেই সূত্রে তিনি বাসায় জ্বালানি তেল মজুত করে রাখতেন এবং পাম্পে তেল না থাকলে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করতেন। এ ঘটনায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে খোলা পাত্রে জ্বালানি তেল বিক্রির দায়ে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী ইভা ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. আফজালকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ত্রিশাল উপজেলার ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, অতিরিক্ত দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে জ্বালানি তেল মজুত করা হয়েছিল। সেখান থেকেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও বিচার দাবি করলে অভিযান চালিয়ে মজুতকারীকে কারাদণ্ড এবং পাম্প ব্যবস্থাপককে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।
]]>
১ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·