স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের প্রাদেশিক আদালতে প্রায় ৪০ মিনিট শুনানি হয়েছে। এ সময়ে ইতালিয়ান কোচ আনচেলত্তি বলেন, ‘আমার জন্য সব কিছু ঠিক ছিল। আমি ভেবেছিলাম সব কিছুই স্বাভাবিক ছিল। কেননা সব সময় দেখেছি সব খেলোয়াড় এবং পূর্বের কোচদের ক্ষেত্রেও একই হয়েছে। খেলোয়াড়দের ইমেজ স্বত্ব বিক্রি হলেও কোচদের ক্ষেত্রে হয় না। তারা এটা বিক্রি করেন না।'
আনচেলত্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি যখন প্রথম মেয়াদে রিয়ালের কোচ ছিলেন (২০১৩ থেকে ২০১৫) তখন চিত্রস্বত্ব ও অন্যান্য উৎস থেকে যে অর্থ আয় করেছিলেন, তা থেকে ১০ লাখ ইউরো (বর্তমানে ১৩ কোটি ১১ লাখ টাকার বেশি) কর বিভাগকে পরিশোধ করেননি।
আরও পড়ুন: চার মৌসুম পর কোপা দেল রে’র ফাইনালে বার্সা, প্রতিপক্ষ রিয়াল
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ দোষী সাব্যস্ত হলে তার ৪ বছর ৯ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে। তার পাশাপাশি আনচেলত্তির জরিমানাও হতে পারে ৩২ লাখ ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪২ কোটি টাকা।
শুধু আনচেলত্তি নন, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক জনপ্রিয় খেলোয়াড় ও কোচদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলা হয়েছে। ২০১৭ সালে বার্সেলোনার সাবেক ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ কোটির বেশি জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান। রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকেও ২০১৯ সালে বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪৬ কোটি টাকার বেশি জরিমানা দিতে হয়। এ ছাড়া রিয়ালের সাবেক ম্যানেজার জোসে মরিনহোকেও কর ফাঁকির অভিযোগে বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৮ কোটি টাকার বেশি জরিমানা দিতে হয়। ২৪ মাসের কম কারাদণ্ড হওয়ায় স্পেনের আইন অনুযায়ী তাদের জেল খাটতে হয়নি।