রিশাদের রাওয়ালপিন্ডিজের দু’শো ছাড়ানো স্কোর পাত্তাই দিলো না শরিফুলের পেশোয়ার

৩ সপ্তাহ আগে
পিএসএলে আজ পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রাওয়ালপিন্ডিজ, দুই দলে ছিল দুই বাংলাদেশি। পেশোয়ারে ছিলেন শরিফুল ইসলাম আর রাওয়ালপিন্ডিজে ছিলেন রিশাদ হোসেন। দুজনেই অবশ্য বল হাতে ভালো পারফর্ম করেছেন, চার ওভার হাত ঘুরিয়ে শরিফুল খরচ করেছেন মাত্র ৩১ রান; যদিও কোনো উইকেট পাননি। অন্যদিকে চার ওভারে ৩৫ রান খরচায় ১ উইকেট নিয়েছেন রিশাদ।

শনিবার (২৮ মার্চ) টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় রাওয়ালপিন্ডিজ। উদ্বোধনী জুটিতেই বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দেন দুই ওপেনার ইয়াসির খান ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজনে মিলে গড়েন ১২৫ রানের জুটি। ৩২ বলে ৪১ রান করে রিজওয়ান বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি। আরেক ওপেনার ইয়াসির খান করেন ৪৬ বলে ৮৩ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২১৪ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় রাওয়ালপিন্ডিজ। 

 

জবাব দিতে নেমে পেশোয়ারের জয়ের ভিত তৈরি হয়ে যায় ইনিংসের শুরুতেই। ওপেনিংয়ে নেমে বাবর আজম ও মোহাম্মদ হারিস দারুণ ছন্দে ব্যাট করে পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে তোলেন ৬২ রান। ৭৮ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন বাবর আজম। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ৩৯ রান। ৯৬ রানের মাথায় ফেরেন ৪৭ রান করা হারিস, তবে রানের চাকা থামেনি এক মুহূর্তের জন্যও। 

 

আরও পড়ুন: পিএসএলে একাদশের দুটি তালিকা সাজিয়ে টসের পর একটি বাছাইয়ের সুযোগ

 

তবে রিশাদের বলে অ্যারন হার্ডি ক্যাচ দিলে ম্যাচে কিছুটা ফিরে আসার আভাস পায় রাওয়ালপিন্ডি। তবু শেষ ছয় ওভারে ৮৫ রানের কঠিন সমীকরণ সামনে রেখেও হাল ছাড়েনি পেশোয়ার। মাইকেল ব্রেসওয়েল ও আবদুল সামাদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচ আবার তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। সামাদ মাত্র ১১ বলে ৩৩ রান করে আউট হলেও ব্রেসওয়েল শেষ পর্যন্ত ১৭ বলে অপরাজিত ৩৫ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ৫ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় পায় পোশোয়ার জালমি। 

 

রিশাদ চার ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট। ১৯ ওভার শেষে স্কোর সমান হলে শেষ ওভারের প্রথম বলেই জয়সূচক রান তুলে নেয় শরিফুলদের দল। 

 

আরও পড়ুন: মোস্তাফিজকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত শাহিন আফ্রিদি, শিখতে চান হারিস

 

এর আগে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই ইয়াসির খান ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের দারুণ ব্যাটিংয়ে উদ্বোধনী জুটিতেই তোলেন ১২৫ রান। ৪৬ বলে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কায় খেলেন ৮৩ রানের চমৎকার ইনিংস খেলন ইয়াসির। অন্যদিকে ৩২ বলে ৪১ রান করে তাকে দারুণ সঙ্গ দেন রিজওয়ান। ওপেনিং জুটির পর তিন নম্বরে নেমে কামরান গুলাম ৩৭ রানের কার্যকর অবদান রাখেন, যা দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে দেয়। এছাড়া ড্যারিল মিচেল খেলেন ১৩ বলে ২৩ রানের ইনিংস। স্যাম বিলিংস ৮ বলে ১৮ ও আব্দুল্লাহ ফজল ২ বলে ৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। 

 

পেশোয়ারের হয়ে নতুন বলে আক্রমণ শুরু করেন শরিফুল ইসলাম। চার ওভারে ৩১ রান দিলেও উইকেটের দেখা পাননি তিনি। তবে তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কারণে খুব বেশি হতাশ হওয়ার কারণ ছিল না তার। দলের অন্য বোলারদের মধ্যে শরিফুল ও সুফিয়ান মুকিম ছাড়া বাকিরা বেশ খরুচে ছিলেন— চারজনই ওভারপ্রতি অন্তত ১১ রান করে দিয়েছেন, যা প্রতিপক্ষকে বড় স্কোর গড়তে বাড়তি সুবিধা এনে দেয়।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন