একটি গাড়ি থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হঠাৎ রাস্তার মাঝ বরাবর ধসে যায়। মুহূর্তেই জায়গাটি বিশাল গর্তে পরিণত হয়। আর সেখানেই ঢুকে পড়ে একটি মোটরসাইকেল। ঘটনাস্থলেই তলিয়ে যান মোটরসাইকেল চালক। দ্রুত গতির কারণে তার সামনে থাকা আরেকটি গাড়ি অল্পের জন্য রক্ষা পায়।
গর্তটি প্রায় ২০ মিটার ব্যাস, ২০ মিটার গভীর এবং ৪ মিটার প্রশস্ত বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার ঠিক আগে কাছাকাছি যাওয়া একটি গাড়ি চালক আহত হন। তবে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সোমবার (২৪ মার্চ) বিকেলে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার চেষ্টায় তাকে মাটি ধসে পড়ার স্থান থেকে প্রায় ৫০ মিটার গভীরে খুঁজে পাওয়া যায়। স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় গর্তের মধ্যে মাটি চাপা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: বিদেশি কর্মীদের বড় সুখবর দিলো দক্ষিণ কোরিয়া
এদিকে, দুর্ঘটনাস্থলের কাছে একটি পেট্রল পাম্পও ছিল। সেই পাম্পের মেঝেতে কয়েকদিন আগে থেকে ফাটল দেখা যায়। এই ফাটল নিয়ে সিউল মেট্রোপলিটনকে অভিযোগ করার কথা জানান পাম্পের কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় এক হাজারের মতো সিঙ্কহোল সৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। পৃথক পৃথক ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অনেকের।
]]>