বৃহস্পতিবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হামলায় যুদ্ধের ফ্রন্ট লাইনের ( প্রথম সারির) প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে একটি বড় বিস্ফোরণ এবং আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।
রয়টার্সের যাচাই করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানঘাঁটি থেকে একটি বড় বিস্ফোরণ চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে কাছাকাছি কটেজগুলো (ঘরবাড়ি) পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপের পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলা
তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী রাশিয়ান অঞ্চলের উপর ১৩২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
অন্যান্য যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা গেছে, ভোরের আকাশে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী উপরে উঠছে এবং আগুন জ্বলছে।
সোভিয়েত আমলের এঙ্গেলস শহরের এই ঘাঁটিতে রাশিয়ার টুপোলেভ টিইউ-১৬০ পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ভারী কৌশলগত বোমারু বিমান রয়েছে, যা অনানুষ্ঠানিকভাবে হোয়াইট সোয়ান নামে পরিচিত।
সারাতোভেল অঞ্চলের গভর্নর রোমান বুসারগিন নিশ্চিত করেছেন, এঙ্গেলস শহরে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার ফলে একটি বিমানঘাঁটিতে আগুন লেগেছে এবং আশেপাশের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তিনি এঙ্গেলস ঘাঁটির কথা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেননি, তবে এটি এই এলাকার প্রধান বিমানঘাঁটি।
এদিকে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বাহিনী রাশিয়ার বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনের উপর হামলা চালানোর জন্য এঙ্গেলস ঘাঁটি ব্যবহার করেছে বলেও জানায় কিয়েভ।
ইউক্রেনের এই হামলায় দশজন আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।
এঙ্গেলস জেলা প্রধান ম্যাক্সিম লিওনভ জানান, এই ঘটনায় স্থানীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে তবে এর বেশি কিছু তিনি জানাননি।
রয়টার্স বিমানঘাঁটিতে ঠিক কী ঘটেছে তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
আরও পড়ুন:যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘একজোট’ হচ্ছে ইউরোপ, বাড়ছে ট্রাম্পবিরোধী প্রচার
ইউক্রেন ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এঙ্গেলস বিমান ঘাঁটিতে এর আগেও হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
]]>