জানা গেছে, যাত্রাপথে হঠাৎ করেই ওই নারী লঞ্চ থেকে অথবা অন্য কোনোভাবে নদীতে পড়ে যান। ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে মুহূর্তের মধ্যেই বিষয়টি টের পেয়ে লঞ্চের এক যাত্রী নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. নাঈম ইসলাম জানান, তিনি লঞ্চের কেবিনে ছিলেন। রোববার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ ডাকাডাকি শুনে বাইরে বের হয়ে দেখেন, এক বোরখা পরা নারী নদীতে সাঁতার কাটছেন এবং সাহায্য চাইছেন। এ সময় লঞ্চ থামিয়ে পেছনে ঘোরানো হয়। ঠিক তখনই লঞ্চের একটি অংশ থেকে এক যুবক নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ওই নারীকে উদ্ধারে এগিয়ে যান। একই সঙ্গে লঞ্চ থেকে বয়া নদীতে ফেলা হয়। পরে ওই যুবকের সহায়তায় নারীকে নিরাপদে লঞ্চে তোলা হয়। তবে সাহসিকতার সঙ্গে উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া ওই যুবকের নাম-পরিচয় জানতে চাইলে তিনি কিছু জানাননি।
নাঈম ইসলাম বলেন, ‘সত্যিই ছেলেটার সাহসিকতার জন্য এই মহিলার জীবন ফিরে পেয়েছে।’
আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে লঞ্চে শিশু রেখে উধাও ‘বাবা’
উদ্ধারের পর ওই নারীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ সময় সাহসী ওই যাত্রীর এমন মানবিক ও ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগে লঞ্চের অন্যান্য যাত্রীরা মুগ্ধ হন। অনেকেই তার এই সাহসিকতার প্রশংসা করেন এবং মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। এ ঘটনায় লঞ্চ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
]]>
১৭ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·