এ সময় নামবিহীন ওই ভুয়া সিগারেট কারখানায় কর্মরত চারজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জানে আলম সাদিফ ও লেফটেন্যান্ট আল ফাহাদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
সেনাবাহিনীর বগুড়া সদর ক্যাম্প কমান্ডার (ক্যাপ্টেন) জানে আলম সাদিফ জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার খয়ারপুকুরে নামবিহীন অবৈধ এক সিগারেট কারখানায় অভিযান করে সেনাবাহিনী। রাতভর চলা অভিযানে জব্দ করা হয় ১৫ লাখ টাকা মূল্যর নকল ব্যান্ড রোল, ১০ লাখ টাকা মূল্যর বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেটের ভুয়া মোড়ক, অনুমোদনহীন সিগারেটের ১৪টি ব্রান্ডের মোড়ক, কাঠের গুড়া মেশানো ১০ মণ তামাক ও ১০ কোটি টাকা মূল্যর সিগারেট উৎপাদনের সরঞ্জাম।
আরও পড়ুন: দেশের যেসব স্থানে সিগারেট বিক্রি করলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা
এ সময় কারখানার মালিক শাহীনুর রহমান পালিয়ে গেলেও আটক করা হয় দুই নারীসহ ৫ কর্মচারীকে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে ছাড়া পান তারা ৷
আটক কর্মচারীদের দাবি, রাজস্ব কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অবৈধ কারখানায় সিগারেট উৎপাদন হতো ৷কর্মচারীদের অভিযোগের সত্যতাও মেলে। নামবিহীন ওই প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রার স্টক খাতায় দেখা যায় বগুড়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোর্শেদা আলমের স্বাক্ষর ৷
অবৈধ প্রতিষ্ঠানটিকে কিভাবে বৈধতা দেয়া হলো জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা লিটন কুমার সেন। তিনি বলেন একটি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন চেয়েছিল ৷এজন্য এখানে কার্যক্রম চালানো হতো। অবৈধ মোড়ক সম্পর্কে কিছুই জানি না।
আরও পড়ুন: বিদেশি সিগারেট পাচারকালে ইউপি সদস্যসহ আটক ৪
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান বলেন, অভিযান শেষে নামবিহীন অবৈধ প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে৷ এ ঘটনায় রাজস্ব কর্মকর্তারা জড়িত আছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে।
]]>
২ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·