সম্প্রতি ভোপালের জেলা আদালত জমিটির মালিকানা সংক্রান্ত একটি মামলা খারিজ করে সাইফদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এর ফলে ১৬.৬২ একর বিতর্কিত ওই জমির মালিকানা সাইফ আলি খান, তার মা শর্মিলা ঠাকুর এবং দুই বোনের হাতেই থাকল।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ভোপালের নয়া পুরা এলাকায় অবস্থিত এই জমিটি নিয়ে ১৯৯৮ সালে আকিল আহমেদ ও তার সহযোগীরা আদালতে একটি মামলা করেন। তাদের দাবি ছিল, ১৯৩৬ সালে ভোপালের তৎকালীন নবাব হামিদুল্লাহ খান তাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিটি দান করেছিলেন। সেই থেকে তারা এই জমির ওপর নিজেদের অধিকার দাবি করে আসছিলেন।
আরও পড়ুন: রাকেশকে দেয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্কের চিঠি আবারও আলোচনায়
দীর্ঘ শুনানির পর আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, মামলাকারীরা তাদের দাবির সপক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো দলিল বা সরকারি রেকর্ড পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়া ঘটনার প্রায় ৬০ বছর পর এই মামলা দায়ের করাকেও অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচনা করেছেন বিচারক। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবেই আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।
এই রায়ের মাধ্যমে ভোপালের প্রাক্তন রাজপরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত এই বিশাল সম্পত্তির ওপর পাতৌদি পরিবারের উত্তরাধিকার স্বীকৃত হলো। দীর্ঘদিন আইনি জটিলতার কারণে সাইফ আলি খান ও তার পরিবার এই জমিতে কোনো কাজ করতে পারছিলেন না। আদালতের এই রায়ে তারা বড় ধরনের স্বস্তি পেলেন।
আরও পড়ুন: ভক্তদের আতিথেয়তায় ‘এক নম্বর’ দীপিকা
প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে ভোপাল ছিল একটি প্রিন্সলি স্টেট। এর শেষ নবাব ছিলেন হামিদুল্লাহ খান—যিনি সাইফ আলি খানের মাতামহ। তার তিন কন্যার মধ্যে জ্যেষ্ঠ আবিদা সুলতান ১৯৫০ সালে পাকিস্তানে চলে যান। দ্বিতীয় কন্যা সাজিদা সুলতান ভারতে থেকেই সাইফের ঠাকুর্দা ইফতিকার আলি খান পতৌদিকে বিয়ে করেন। ফলে আইন অনুযায়ী সম্পত্তির উত্তরাধিকার সাজিদা সুলতান ও তার বংশধরদের হাতেই আসে।

২ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·