ছয়টি আসনেই জামায়াত জোট প্রার্থীদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বিএনপির সঙ্গে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন জোটের প্রার্থীরা। অন্যদিকে একসময় দুর্গখ্যাত এই অঞ্চলে জাতীয় পার্টি তৃতীয় অবস্থানে নেমে গেছে, যা উত্তরাঞ্চলের রাজনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটির আংশিক) আসনে মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. রায়হান সিরাজী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন ধানের শীষ প্রতীকে পান ৬৯ হাজার ৪০৭ ভোট। প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পান ৭৯ হাজার ৮৬২ ভোট। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তৃতীয় স্থানে থাকেন। ১৩৭টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং ২ লাখ ৫৩ হাজার ৮৭৮টি বৈধ ভোট গণনা করা হয়।
আরও পড়ুন: বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নিলেন জামায়াতের জাহাঙ্গীর
রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুবুর রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী পান ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এ আসনে তৃতীয় স্থানে নেমে যান।
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে জামায়াত জোটসমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপির প্রার্থীকে ৮ হাজার ৩৩১ ভোটে পরাজিত করেন।
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী পান ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৪ ভোট।
আরও পড়ুন: বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে গেলেন সারজিস
রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জামায়াতের অধ্যাপক নুরুল আমিন ১ হাজার ৯৭১ ভোটের ব্যবধানে জয় পান। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯০ ভোট পান, আর বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম পান ১ লাখ ১৬ হাজার ৯১৯ ভোট।
রংপুরের ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ছিলেন ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০২ জন। ৮৭৩টি ভোটকেন্দ্রের ৪ হাজার ৯৮৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
]]>

২ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·