ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের প্ল্যাটফর্মকে নিরাপদ রাখতে নিয়মিত স্ক্রিনিং চালায়। সাধারণত নিচের কারণগুলোর জন্য অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতে পারে:
ভুয়া পরিচয় ও ছদ্মনাম: নিজের নাম গোপন করে অন্য কারো ছবি বা নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল খোলা ফেসবুকের নীতিমালা বিরোধী। বিশেষ করে সেলিব্রিটি বা পরিচিত ব্যক্তির নামে অ্যাকাউন্ট খুললে তা দ্রুত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া অবাস্তব বা বিভ্রান্তিকর নাম ব্যবহারের কারণেও অ্যাকাউন্ট হারাতে পারেন ব্যবহারকারী।
নীতিমালা বা কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন: সহিংসতা, ঘৃণামূলক বক্তব্য (Hate Speech) কিংবা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি, এমন কোনো পোস্ট করলে ফেসবুক প্রথমে সতর্ক করে এবং পরে অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়।
আক্রমণাত্মক আচরণ: কাউকে হেনস্তা করা, গালাগালি বা কমেন্ট বক্সে অশালীন মন্তব্য করার কারণে অন্য ব্যবহারকারীরা রিপোর্ট করলে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ডিজেবল করে দেয়।
বয়সসীমা: ফেসবুক ব্যবহারের নূন্যতম বয়স ১৩ বছর। এর কম বয়সি কারও অ্যাকাউন্ট শনাক্ত হলে কোনো রিভিউ ছাড়াই সেটি বন্ধ করা হয়।
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও হ্যাকিং: আপনার অ্যাকাউন্টটি যদি হ্যাক হয় এবং হ্যাকার সেটি ব্যবহার করে কোনো অনৈতিক কাজ করে, তবে ফেসবুক দ্রুত অ্যাকাউন্টটি লক বা ডিজেবল করে দেয়।
আরও পড়ুন: ফেসবুক অ্যাপ চালুর সময় ‘উইন্টার থিম’ লোগো, যা জানা গেলো
অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার ৫ কৌশল
আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটি নিরাপদ রাখতে সাইবার বিশেষজ্ঞরা কিছু জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন:
- সঠিক তথ্য ব্যবহার: সর্বদা জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের সাথে মিল রেখে আসল নাম ও তথ্য ব্যবহার করুন।
- টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন: অ্যাকাউন্টের বাড়তি নিরাপত্তার জন্য অবশ্যই টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন (Two-factor authentication) চালু রাখুন।
- সন্দেহজনক লিংকে সতর্কতা: ইনবক্স বা ওয়ালে আসা অপরিচিত ও প্রলোভন দেখানো লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।
- আচরণে সংযম: পোস্ট বা কমেন্টের ক্ষেত্রে ফেসবুকের 'কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড' মেনে চলুন। কোনো উস্কানিমূলক বা আপত্তিকর মন্তব্যে জড়াবেন না।
- অ্যাপ পারমিশন: অপরিচিত কোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক্সেস দেওয়ার আগে সচেতন থাকুন।

৩ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·