শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, সীমান্তে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে পাকিস্তানি বাহিনী আফগানিস্তানের একাধিক শহরে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, আফগান তালেবান বাহিনীর উসকানিমূলক হামলার জবাব হিসেবে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানায়, এসব অভিযানে আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড পোস্ট ও গোলাবারুদের গুদাম লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর অভিযানে তালেবানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তার দাবি, হামলায় কমপক্ষে ১৩৩ তালেবান নিহত ও ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা পাকিস্তানের, বহু হতাহতের খবর
শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না। যেকোনো আগ্রাসনের জবাব কঠোর ও উপযুক্তভাবে দেয়া হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তানের জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সামরিক বাহিনীর পেশাদার দক্ষতার প্রশংসা করে তিনি জানান, চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও চিফ অব আর্মি স্টাফ ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় চেতনায় দায়িত্ব পালন করছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের সঙ্গে তালেবানের প্রচলিত যুদ্ধের শঙ্কা কম যে কারণে
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতির প্রতিধ্বনি করে বলেন, পাকিস্তান শান্তি বা আঞ্চলিক অখণ্ডতার সাথে কোনো আপস করবে না।
তিনি সতর্ক করে বলেন, পাকিস্তানের শান্তির প্রচেষ্টাকে কেউ দুর্বল ভাবলে ভুল করবে। তাদের কঠোর, ব্যাপক এবং সিদ্ধান্তমূলক জবাব দেয়া হবে।
]]>
৭ ঘন্টা আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·