বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েন মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের নির্দেশে সহ-দফতর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শামীম মিয়াকে বহিষ্কারাদেশ দেয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে রূপগঞ্জ থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম মিয়াকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এদিকে হাসিব নিহতের ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। বুধবার (১৯ মার্চ) রাতে নিহতের ভাই বাবু বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন বলে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে। মামলার এজাহারে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে টেন্ডার নিয়ে যুবদল- ছাত্রদলের সংঘর্ষ
এরইমধ্যে রবিন ও রমজান নামে মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, ‘হাছিব নিহতের ঘটনায় তার ভাই বাবু বাদী হয়ে এজাহারনামীয় ১৭ জন সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করে বুধবার রাতে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে আমরা রাতেই এজাহারনামীয় দুই আসামি রবিন ও রমজানকে গ্রেফতার করেছি। গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।’
আরও পড়ুন: হত্যা ও গরু ডাকাতির ঘটনায় যুবদল নেতা গ্রেফতার, বহিষ্কারাদেশ নিয়ে বিতর্ক
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) গভীর রাতে চনপাড়ায় পুনর্বাসন কেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবদল নেতা শামীম গ্রুপের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রব্বানী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হলে গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন হাছিবুর রহমান (২৭) নামে যুবদলের এক কর্মী। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সংঘর্ষে আরও দুইজন গুলিবিদ্ধসহ দশজন আহত হন।