‘ভারত মণ্ডপম’-এ আয়োজিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এক দোভালকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, তিনি কি সত্যিই মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট এড়িয়ে চলেন? উত্তরে তিনি বলেন, ‘এটা সত্য যে আমি ইন্টারনেট ব্যবহার করি না। পরিবার-সংক্রান্ত প্রয়োজন বা বিদেশে থাকা কারও সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে ছাড়া আমি ফোনও ব্যবহার করি না। আমি এভাবেই আমার কাজ পরিচালনা করি।’
তিনি আরও বলেন, যোগাযোগের আরও অনেক উপায় আছে এবং এমন কিছু অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়, যেগুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষ জানেন না।
অজিত দোভাল ভারতের পঞ্চম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। কেরালা ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় পুলিশ সার্ভিস (আইপিএস) কর্মকর্তা দোভাল দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে গোয়েন্দা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
১৯৪৫ সালে উত্তরাখণ্ডে জন্ম নেয়া দোভাল ১৯৬৮ সালে আইপিএসে যোগ দেন। সাহসিকতার জন্য তিনি কীর্তি চক্রে ভূষিত হন এবং এই সম্মান পাওয়া সর্বকনিষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। কর্মজীবনে তিনি মিজোরাম, পাঞ্জাব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিদ্রোহ দমন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালে সরকার পতনের কারণ জানালেন অজিত দোভাল!
২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এবং ২০১৯ সালের বালাকোট বিমান হামলাসহ একাধিক বড় জাতীয় নিরাপত্তা সিদ্ধান্তে অজিত দোভালের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া দোকলাম অচলাবস্থা মোকাবিলা এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নেও তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
১৯৯৯ সালে কান্দাহারে আইসি-৮১৪ বিমান ছিনতাই সংকটের সময় তিনি আলোচক দলের একজন সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি কয়েক বছর পাকিস্তানে ছদ্মবেশে কাজ করেছেন বলেও জানা যায়।
গত বছর ভারত সরকারের ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা দোভালের নামে মিথ্যাভাবে দায়ী করা একটি ভুয়া ফেসবুক পোস্ট প্রকাশ করে, যেখানে পাকিস্তান থেকে সাইবার আক্রমণ সম্পর্কে নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছিল। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) স্পষ্ট করে জানায় যে, অজিত দোভালের কোনো অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই এবং তার নাম ও ছবিসহ প্রচারিত পোস্টটি সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট।
সূত্র: এনডিটিভি
]]>
৪ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·