খেলোয়াড় ও নির্বাহী দুই ভূমিকাতেই বেকহ্যাম ফাইনাল, শিরোপাজয় এবং অসংখ্য ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছেন। কিন্তু তার কাছে সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়কে ইন্টার মায়ামির প্রকল্পে নিয়ে আসা।
প্রথম দিন থেকেই মেসির আগমন ইন্টার মায়ামির সবকিছু বদলে দেয়। শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, ক্লাবের বৈশ্বিক পরিচিতি এবং মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) জনপ্রিয়তাও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
স্টেডিয়ামগুলোতে দর্শকভর্তি গ্যালারি, জার্সি বিক্রিতে রেকর্ড, টিভি দর্শকসংখ্যায় উল্লম্ফন মেসির প্রভাব ছিল তাৎক্ষণিক এবং রোমাঞ্চকর।
আরও পড়ুন: আল নাসরে রোনালদোর সঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন সালাহ!
তবে শুধু প্রচারণাই নয়, এসেছে ফলাফলও। ইন্টার মায়ামি একটি বিকাশমান প্রকল্প থেকে পরিণত হয়েছে শিরোপার জন্য লড়তে সক্ষম প্রতিযোগিতামূলক দলে। লিগস কাপ জয়ে জয়ে প্রথম বড় বার্তা দেয় তারা, এরপর ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্লাবটির ভাবমূর্তিই বদলে যায়।
বেকহ্যাম শুধু একজন সুপারস্টারকে সই করাননি, তিনি নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। ক্লাব প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। মেসিকে পাওয়ার পর সেই স্বপ্ন আর কল্পনা থাকেনি, বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
আর এই গল্প যখন আরও বড় হচ্ছে। এমএলএস ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলতে খেলতে ক্লাবটি নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে এবং যেখানেই খেলছে, শিরোপার দাবিদার হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
]]>

১৭ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·