ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে মারিও গোটজের গোলে জার্মানির কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই হারের মধ্য দিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় মেসিদের।
প্রামাণ্যচিত্রের একটি অংশে রোনালদো বলেন, তিনি প্রার্থনা করেছিলেন, মেসি যেন বিশ্বকাপ না জেতেন। ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর নিজের মধ্যে এক ধরনের স্বস্তি কাজ করেছিল বলেও জানান পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা।
এই স্বীকারোক্তি সামনে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। অনেকেই একে ক্রীড়া-প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ বলছেন, আবার কেউ কেউ দেখছেন ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতার তীব্রতা।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা না পেলে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলবেন নেইমার!
তবে যে স্বস্তি ২০১৪ সালে অনুভব করেছিলেন রোনালদো, আট বছর পর সেটিই যেন হয়ে ওঠে তার ‘দুঃস্বপ্ন’। কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হন মেসি।
লুসাইলে ১৮ ডিসেম্বর লুসাইলে ফ্রান্সের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ফাইনালে ৩-৩ সমতার পর টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জেতে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে জোড়া গোল করেন মেসি, টাইব্রেকারেও সফল হন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে সাত গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে দ্বিতীয় হন তিনি; ফাইনালে হ্যাটট্রিকসহ আট গোল করা কিলিয়ান এমবাপ্পে পান গোল্ডেন বুট।
কাতারের সেই রাতকে অনেকেই আধুনিক যুগের ‘সেরা কে’ নিয়ে হওয়া বিতর্কের অবসান হিসেবে দেখেন। একটি বিশ্বকাপ ট্রফি, যা তখন পর্যন্ত মেসির ক্যারিয়ারে অনুপস্থিত ছিল, সেটিই যুক্ত হয় তার অসামান্য সাফল্যের তালিকায়।
আরও পড়ুন: মেসির চোটে স্থগিত মায়ামির ম্যাচ, আর্জেন্টিনাও দুশ্চিন্তায়
তবে দুই মহাতারকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল একটি ট্রফিতে সীমাবদ্ধ নয়। ক্লাব ফুটবলে এল ক্লাসিকোর উত্তাপ, ব্যালন ডি’অরের লড়াই, গোলের রেকর্ড; সব মিলিয়ে ফুটবলে নিজেদের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন দুজনই।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·