বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারীভাবে ফলাফল ঘোষণায় তারা বিজয়ী হোন। বিজয়ীরা হলেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে শেখ মো. আব্দুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এবং মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান রতন।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৪ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ কে এম ফখরুদ্দীন রাজী পেয়েছেন ৯৮ হাজার ১৯২ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোমিন আলী পেয়েছেন ৩০ হাজার ৩৯৪ ভোট।
আরও পড়ুন: হেরে গেলেন গোলাম পরওয়ার
এ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অন্যদের মধ্যে ইসলামি আন্দোলনের মো. আতিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৮ হাজার ৯১৭ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রোকেয়া আক্তার পেয়েছেন ৩১২ ভোট এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুর রহমান পেয়েছেন ৪২০ ভোট।
মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির মাজেদুল ইসলাম শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৭৫০ ভোট।
এ আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ইসলামি আন্দোলনের কে এম বিল্লাল পেয়েছেন ১৩ হাজার ২১৩ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. নোমান মিয়া পেয়েছেন ২ হাজার ৮০৫ ভোট এবং ইসলামিক ফ্রন্টের আশিক মাহমুদ পেয়েছেন ৬৩৭ ভোট।
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের মো. মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৯৩৬ ভোট। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নূর হোসাইন নূরানী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৫৬ ভোট।
ইসলামি আন্দোলনের সুমন দেওয়ান পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৯২ ভোট। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে লেবার পার্টির আনিছ মোল্লা পেয়েছেন ২৯৪ ভোট, জাতীয় পার্টির আরিফুজ্জামান দিদার পেয়েছেন ৮০৪ ভোট, কমিউনিস্ট পার্টির শেখ মো. কামাল হোসেন পেয়েছেন ৩০৪ ভোট এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শেখ মো. শিমুল পেয়েছেন ১৭৪ ভোট। এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। মোট হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯২ এবং না ভোট পড়েছে ৫৮ হাজার ৮৫২টি।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·