মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরার সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের

১ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের অন্যতম প্রধান শহর মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। দুই নাগরিকের মৃত্যুর জেরে তীব্র আন্দোলনের মুখে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এদিকে অভিবাসীবিরোধী অভিযানের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পরই সেই প্রতি পূরণে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেন ট্রাম্প। এখন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অভিবাসীদের গণ-নির্বাসন কর্মসূচি বাস্তবায়ন চলছে। যার মূল দায়িত্বে রয়েছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসিই নামে বিতর্কিত এক সরকারি বাহিনী।

 

গত বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অভিবাসীপ্রধান এলাকার মতো মিনেসোটায় ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ নামে ধরপাকড় জোড়দার করে আইসিই কর্মকর্তারা। এই অভিযানের আওতায় প্রধান দুই শহর মিনিয়াপোলিস ও সেন্ট পলসহ বিভিন্ন শহরে সাড়াশি অভিযান শুরু হয়। গত এক বছরে ১০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইসিই।

 

তবে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে অভিবাসন কর্মকর্তাদের ব্যাপক ধরপাকড় ও গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহতের ঘটনায় তীব্র জনঅসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এমনকি নিজ দল রিপাবলিকানদের মধ্যে সমালোচনার মুখে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

 

আরও পড়ুন: মিনেসোটায় অভিবাসীবিরোধী অভিযান কমানোর ইঙ্গিত ট্রাম্প প্রশাসনের

 

জনঅসন্তোষ আর রাজনৈতিক চাপের মুখে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে অভিবাসীবিরোধী অভিযান কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। 

 

এবার ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টদের বডি ক্যামেরা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। স্থানীয় সময় সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতর জানায়, মিনিয়াপোলিসে মোতায়েন করা ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের জন্য বডি ক্যামেরা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

 

শিগগিরই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলেও জানানো হয়। বডি ক্যামেরা প্রোগ্রাম ধাপে ধাপে দেশজুড়ে সম্প্রসারিত হবে বলে জানিয়েছেন দেশটি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি তথা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী।

 

আরও পড়ুন: মিনেসোটার প্রতিনিধি ইলহান ওমরের উপর হামলা, ‘অজানা পদার্থ’ স্প্রে

 

এদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এ অভিযানে বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে সোমবারও বিক্ষোভ করেন কয়েক হাজার মানুষ। একইদিন মিনিয়াপোলিসেও নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন