তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই নৌপথের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পারস্পরিক সমঝোতার ওপর নির্ভরশীল।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় একটি ফোরামে বক্তব্য রাখার সময় মোহাম্মদ হাসান বলেন, মালাক্কা প্রণালী নিয়ে যেকোনো পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে একটি বোঝাপড়া রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই চার দেশ যৌথভাবে প্রণালীতে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যাতে জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা যায়।
আরও পড়ুন: কূটনৈতিক অচলাবস্থার জন্য ট্রাম্পের নৌ অবরোধ দায়ী: ইরান
ইন্দোনেশিয়ার অর্থমন্ত্রীর মালাক্কা প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর শুল্ক আরোপের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করেন মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, এই অঞ্চলে সমুদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে দেশগুলো ঐক্যমতের ভিত্তিতে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন,
আসিয়ানের মূল ভিত্তিই হলো ঐকমত্য। প্রণালীটি নিয়ে চার দেশের যে যৌথ চুক্তি রয়েছে, তার মূল শর্তই হলো কোনো সিদ্ধান্ত এককভাবে নেয়া যাবে না।
হরমুজ প্রণালীতে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার বর্তমান প্রেক্ষাপটে মালাক্কা প্রণালীর নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ইস্যুটিও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·