বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন: শামছুল বিশ্বাস (৬৫), তার স্ত্রী মাফিয়ারা বেগম (৬০) ও তাদের ছেলে জনি বিশ্বাস (২৫)।
হাসপাতালে নিয়ে আসা বড় ছেলে মাসুদ বিশ্বাস জানান, দুপুরে তার বাবা-মায়ের ঘর থেকে চিৎকার শোনা যায়। ছুটে গিয়ে দেখেন, সেই ঘরের ভেতর আগুন ধরে গেছে। দরজার সামনে আগুন থাকায় তারা বের হতে পারছিলেন না। তখন তিনি ঘরে ঢুকে একে একে ৩ জনকে বের করে আনেন। ততক্ষণে পুড়ে যায় সমস্ত শরীর। উদ্ধার করতে গিয়ে বড় ছেলে মাসুদও সামান্য আহত হন। প্রথমে তাদের স্থানীয় সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
দগ্ধ জনি বিশ্বাস জানান, তিনি ঘরের ভিতর আয়রন মেশিন দিয়ে নিজের প্যান্ট-শার্ট ইস্ত্রি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। মেশিনটি খুব একটা ভালো ছিল না। যখন সেটির টুপিন প্লাগে কানেক্ট করেন তখনই আগুন ধরে যায়। আগুন নেভাতে নেভাতে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ঘরের সব জামাকাপড় আর বিছানায়। জনির চিৎকারেই বাইরে থেকে ছুটে এসেছিলেন তার বাবা-মা। তবে ঘরে এসে তারাও আটকে পড়েন। এরপর ৩ জনই আগুনে ঝলসে যান।
আরও পড়ুন: ফতুল্লায় সেলুনে গ্যাস লাইনের লিকেজে বিস্ফোরণে শিশুসহ দগ্ধ ৫
স্বজনরা জানান, জনি তেমন কিছুই করেন না। বাইরের দেশে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. হারুনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সন্ধ্যার দিকে তাদের হাসপাতালে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাদের ড্রেসিং চলছে এবং দগ্ধের মাত্রা নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। তিনজনেরই হাত, মুখ, বুক পিঠ এবং পা ঝলসে গেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
]]>

২ সপ্তাহ আগে
৩






Bengali (BD) ·
English (US) ·