ভেনেজুয়েলার মেরিদা থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে আল জাজিরাকে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক পল ডবসন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি এসেছে। ডানপন্থি বিরোধী দলগুলো মূলত নীরবতা পালন করেছে অন্যদিকে বামপন্থি বিরোধীরা এই মার্কিন হামলার নিন্দা করতে খুব বেশি দেরি করেনি। তবে বিদায়ী মাদুরো সরকার থেকে তারাও নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে।
আরও পড়ুন:যেসব কারণে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ডবসন ব্যাখ্যা করেছেন, ভেনেজুয়েলার সংবিধান খুবই স্পষ্ট; এরকম পরিস্থিতিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।
তবে, একটি বড় ‘কিন্তু’ আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি আরও বলেন যে, এই অনুচ্ছেদটি বৈধ হওয়ার জন্য, সেখানে একটি বৈধ সরকার ছিল, এই ধারণা প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।
কিন্তু প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়নি, তারপরও মাদুরো নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, বিরোধী দল মাদুরোর বিজয়ের ঘোষণাকে জালিয়াতি বলে আখ্যা দেয়। তারা বলে, বিরোধী প্রার্থী এডমুন্ডো গঞ্জালেস অন্তত ৭৩ দশমিক দুই শতাংশ ভোট পেয়ে নিশ্চিতভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
আরও পড়ুন:মাদক পাচার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত ভেনেজুয়েলা: মাদুরো
নিকোলাস মাদুরো নিজেকে প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী দাবির পরদিনই ভেনিজুয়েলার রাজধানীতে বিক্ষোভ শুরু হয়।
]]>

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·