মাদারীপুরের মোস্তফাপুরের ফলের আড়তে প্রতিদিন ভোর থেকেই পাইকারদের ভিড় জমে। আশপাশের জেলা থেকে আসা পাইকাররা তরমুজ, আনারস, কমলা, মালটা, আঙ্গুরসহ বিভিন্ন ফল কিনে নিয়ে যান। তবে টানা ১৫ দিনে মৌসুমী ফলের দাম দেড় থেকে দ্বিগুণ বেড়েছে।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় মোস্তফাপুর ফলের আড়ত দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখানে প্রতিদিন কোটি টাকার ফল কেনাবেচা হয়। আড়তদারদের কাছ থেকে পাইকারদের ৫-১০ শতাংশ কমিশন দিতে হয়। তবে দাম বেশি থাকায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
ফল ব্যবসায়ী খোকন বেপারী বলেন, ‘ফলের চাহিদা বেশি, দামও বেশি। ফলে বিক্রি করতে গিয়ে আমরা বিপাকে পড়ছি।’ শরীয়তপুরের নড়িয়া থেকে আসা ব্যবসায়ী সিরাজ মাদবর বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এই পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।’
আরও পড়ুন: ৩ হাজার টাকা বেতন পান মাদারীপুরের ইমাম-মুয়াজ্জিনরা
ফল আড়তদার আব্দুর রহিম বলেন, ‘রমজানে ফলের চাহিদা বেড়েছে, সেইসঙ্গে দামও। আমরা পাইকারি কিনে এনে পাইকারিতেই বিক্রি করি। উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের নিয়ন্ত্রণ করা না হলে দাম কমবে না।’ আরেক আড়তদার সালাউদ্দিন মোল্লা বলেন, ‘ফলন কম হওয়ায় এবং পরিবহন খরচ বেশি থাকায় ফলের দাম স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দাম নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং রমজানে এই অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।’
]]>