মশার কামড়ে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী, বর্ষায় কী হবে?

১ সপ্তাহে আগে
রাজধানীতে হঠাৎ করেই মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। সিটি করপোরেশন এলাকাজুড়ে দিন-রাত মানুষ মশার কামড়ে অতিষ্ঠ। অনেক নাগরিকের অভিযোগ, মশক নিধনে তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। তবে সিটি করপোরেশন বলছে, নিয়মিত কার্যক্রম চলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কিউলেক্স মশা দমনের পাশাপাশি বর্ষার আগেই ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয়া জরুরি।

শুধু রাতে নয়, দিনের বেলাতেও এখন রাজধানীতে মশার উৎপাত দেখা যাচ্ছে। ড্রেন, নির্মাণাধীন ভবন এবং বাসাবাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানিতে মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। শীত পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই এমন পরিস্থিতি নগরবাসীকে চিন্তায় ফেলেছে।

 

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দিন-রাত সবসময়ই মশা কামড়াচ্ছে। কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করেও পুরোপুরি রেহাই মিলছে না। তবে মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম তেমন দেখা যাচ্ছে না।

 

আরও পড়ুন: জ্বর হওয়ার কতদিনের মধ্যে কোন টেস্ট করলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে?

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবর্জনা ঠিকমতো অপসারণ না হওয়া, তাপমাত্রার পরিবর্তন এবং জমে থাকা পানি; এসব কারণেই মশার সংখ্যা বাড়ছে। তবে বর্তমানে যে মশা বেশি দেখা যাচ্ছে তা কিউলেক্স, যা ডেঙ্গু ছড়ায় না। তবুও বর্ষা সামনে রেখে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া দরকার।

 

কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, বর্তমানে কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেশি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে এপ্রিল মাস থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে চলতি বছরে ডেঙ্গুর প্রকোপ সামাল দেয়া সহজ হবে।

 

সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পেতে ডোবা-নালা পরিষ্কার, লার্ভা ধ্বংস, এলাকাভিত্তিক ফগিং এবং সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

 

উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, ড্রেন-নালা, নর্দমা ও খাল পরিষ্কারের কাজ চলছে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই কিউলেক্স মশার উপদ্রব কমে আসবে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ফগিং করলেই হবে না। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং নাগরিকদের সচেতন করাই হতে পারে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন